Karnataka Husband Murder

‘হৃদ্‌রোগে’ স্বামীর মৃত্যুর ২০ দিন পর বিয়ে স্ত্রীর, ননদের অভিযোগে গ্রেফতার, আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল পুলিশ

আদালতের নির্দেশে কবর থেকে দেহ তোলার অনুমতি মেলে। স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাদের উপস্থিতিতে দেহ তুলে ময়নাতদন্ত করে পুলিশ। সেই সঙ্গে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছিল

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ মার্চ ২০২৬ ১৪:২৬
Share:

ধৃত মৃতের স্ত্রী এবং তাঁর দ্বিতীয় স্বামী। ছবি: সংগৃহীত।

আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সকলেই ধরে নিয়েছিলেন হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৫০ বছরের পরমেশ। শেষকৃত্যের প্রায় একমাস পরে হঠাৎ পুলিশ জানাল, হৃদ্‌রোগে নয়, খুন করা হয়েছিল তাঁকে! এরই মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন পরমেশের স্ত্রী পি আশা। তদন্তকারীরা জানালেন, প্রেমিককে বিয়ে করবেন বলে স্বামীকে খুন করেছিলেন মহিলা।

Advertisement

কর্নাটকের তুমকুর জেলার বাসিন্দা পরমেশ এবং আশা। পরমেশ ছোটখাটো কাজ করতেন। আশাও ঠিকাকর্মীর কাজ করেন। গত ২৯ জানুয়ারি রাতে মারা যান পরমেশ। ৪৬ বছরের আশা আত্মীয় এবং প্রতিবেশীদের জানান, হৃদ্‌রোগে মারা গিয়েছেন স্বামী। পরের দিন কবরস্থ হয় দেহ।

কিন্তু সকলের সন্দেহ জন্মায় সদ্যবিধবা আশার বিয়ে নিয়ে। তাঁর স্বামী মারা যান ২৯ জানুয়ারি। ২০ দিন পর, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেশী চন্দ্রপ্পার সঙ্গে সংসার পাতেন তিনি। এত তাড়া? প্রশ্ন করেছিলেন আশার ননদ অর্থাৎ, পরমেশের বোন। কোনও জবাব পাননি। তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, দাদার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তদন্ত হোক।

Advertisement

ঘটনাক্রমে মামলা রুজু করে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে কবর থেকে দেহ তোলার অনুমতি মেলে। স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাদের উপস্থিতিতে দেহ তুলে ময়নাতদন্ত করে পুলিশ। সেই সঙ্গে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে আসে, হৃদ্‌যন্ত্র বিকল হয়ে মারা যাননি পরমেশ। শ্বাসরোধ করে মারা হয়েছিল তাঁকে।

আশা এবং তাঁর বর্তমান স্বামীকে জেরা শুরু করে পুলিশ। আশা স্বীকার করে নেন, স্বামীকে তিনি-ই খুন করেছিলেন। ঘুমন্ত স্বামীর মুখে বালিশ চাপা দিয়েছিলেন। সেই কাজে সে দিন সাহায্য করেছিলেন প্রেমিক। তার পর দু’জনে যুক্তি করে খুনকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে চালিয়ে দিয়েছিলেন। দু’জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখন তাঁরা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে। পরমেশের খুনে আরও তথ্যের খোঁজে পুলিশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement