—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
লজে মধুচক্রের আসর বসানোর অভিযোগ। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন মালিক এবং ম্যানেজার। ওই নিয়ে শোরগোল বর্ধমান শহরের নবাবহাটা এলাকায়। লজে হানা দিয়ে সাত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে আছেন লজের ম্যানেজারও। উদ্ধার করা হয়েছে ন’জন মহিলাকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নবাবহাটার লজটিতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মহিলাদের এনে মধুচক্রের আসর বসানো হত। স্থানীয় কয়েক জন তো যেতেনই। অচেনা মুখের ভিড় দেখা যেত লজের সামনে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে হানা দিয়েছিল পুলিশ। অবৈধ কাজকর্ম চালানোর অভিযোগে কয়েক জনকে ধরা হয়। ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে মহিলাদের আনা হত লজটিতে। পূর্ব বর্ধমানেরই মঙ্গলকোট, দেওয়ানদিঘি, খণ্ডঘোষ ইত্যাদি এলাকা ধৃত যুবকদের বাড়ি।
শুক্রবার রাতে নবাবহাট মোড়ের লজটিতে যায় পুলিশের একটি দল। বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালিয়ে সব মিলিয়ে সাত যুবক এবং নয় মহিলাকে উদ্ধার করা হয়। লজের ম্যানেজার এবং মালিক মিলে ওই অবৈধ কারবার শুরু করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। লজ থেকে মদ, গেলাস ও গর্ভনিরোধক বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নগদ কিছু অর্থও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তা ছাড়া তদন্তের প্রয়োজনে লজের রেজিস্টার বুকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে তারা। ধৃতদের শনিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে একজনকে সাত দিনের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে।