— প্রতীকী চিত্র।
গুলি চালানোর মামলায় গ্রেফতারি এড়াতে পটনার একটি আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করলেন ফয়জল খান ওরফে খান স্যর। তাঁর আইনজীবী জানিয়েছেন, পটনার আদালতে আত্মসমর্পণের কোনও পরিকল্পনা খান স্যরের নেই।
গুলি চালানোর ঘটনার তদন্তের জন্য খান স্যরের কোচিং ইনস্টিটিউট ‘খান গ্লোবাল স্টাডিজ’ (কেজিএস)-এ গতকালই হানা দিয়েছিল পুলিশ। পটনার কদমকুয়া থানায় খান স্যরের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টা এবং অস্ত্র আইনের ধারায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। খান স্যরকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে জল্পনা ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই আজ গ্রেফতারি এড়াতে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন তিনি।
ওই কোচিংয়ে গত মঙ্গলবার রাতে ১৫-২০ জনের একটি দল হামলা চালানোর পর একটি ভিডিয়ো সামনে আসে। দেখা যায়, নিরাপত্তারক্ষীরা গুলি চালাচ্ছেন। ভিডিয়ো সামনে আসার পর খান স্যরের কোচিং ইনস্টিটিউটের দু’জন নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করে পুলিশ। সূত্রের দাবি, খান স্যরের নির্দেশের গুলি চলেছে বলে নিরাপত্তারক্ষীরা নাকি জিজ্ঞাসাবাদের সময় তদন্তকারীদের জানিয়েছেন। এর পরেই গুলি কাণ্ডে খান স্যরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
খান স্যরের আইনজীবী অরবিন্দ কুমার মাভর অবশ্য অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে দাবি করেছেন, প্রতিযোগী কোচিং ইনস্টিটিউটের নির্দেশকের চক্রান্তেই এই ঘটনায় তাঁর মক্কেলকে টেনে আনা হয়েছে। তাঁর আরও দাবি, আত্মরক্ষার কারণেই নিরাপত্তারক্ষীরা শূন্যে গুলি ছুড়েছে। আর এতে কেউ আহত হননি। খান স্যরকে বদনাম করতেই তাঁর নাম টেনে আনা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর আইনজীবী।
গোলমালের পরেই খান স্যর অভিযোগ করেন, গুলি চালানোয় প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের লোকেরাই দায়ী। তবে পরে তিনি জানান, গুলি আদৌ চলেছিল কি না, পুলিশি তদন্তেই তা বোঝা যাবে। তবে দু’দিন আগে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের তরফে অভিযোগ করা হয়, ঘটনার জন্য খান স্যরই দায়ী।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে