Kharif Cultivation

ঝুঁকির মুখে খরিফ চাষ

বিশেষজ্ঞদের দাবি, ধান, ডাল, তৈলবীজ এবং তুলোর মতো প্রধান খরিফ ফসলের রোপণে দেরি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে চাষ।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ০৮:০০
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত দুর্বল থাকতে পারে। যার সরাসরি ধাক্কা এসে পড়তে পারে খরিফ শস্যের উপর, মঙ্গলবার জানালেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহ্বান। তাঁর সতর্কবার্তা, এর ফলে দেশের ১২টি রাজ্যের ১১১টি খরিফ শস্য উৎপাদনকারী জেলা বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, কৃষক, কৃষিক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ীদের পক্ষে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। মৌসুমি বায়ুর এই ঘাটতি খরিফ ফসলের উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও মূল্যবৃদ্ধির উপরে।

ইতিমধ্যেই বর্ষার ঘাটতি প্রায় ৪৩%, জানিয়েছেন মন্ত্রী। যা জুলাইয়ে ২ তারিখ পর্যন্ত চলতে পারে। তবে কৃষকদের উদ্দেশে তাঁর আর্জি, ভয় পাওয়ার দরকার নেই। পরিস্থিতি সামলানোর জন্য পুরোপুরি তৈরি দেশ।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, ধান, ডাল, তৈলবীজ এবং তুলোর মতো প্রধান খরিফ ফসলের রোপণে দেরি হতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে চাষ। উৎপাদন কমলে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়বে, যা সরাসরি খুচরো মূল্যবৃদ্ধি বাড়িয়ে দিতে পারে। কৃষি থেকে আয় কমে যাওয়ায় গ্রামীণ চাহিদা কমবে। বিশেষত ভোগ্যপণ্য এবং ট্রাক্টর ও দু’চাকার গাড়ির। সব মিলিয়ে ধাক্কা খাবে অর্থনীতি। ২২ জুন পর্যন্ত হিসাব, মোট এলাকার ১০ শতাংশেরও কম অংশে খরিফ শস্যের বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে। সারা দেশে ৩১৫টি জেলা কম বৃষ্টির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ২৫ শতাংশের কম সেচ ব্যবস্থা রয়েছে এমন ১১১টি জেলাকে অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন