অসমের একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দেওয়ার পর এক প্রবীণ ভোটার। ছবি: পিটিআই।
কেরলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৫.০১ শতাংশ। গত বিধানসভা ভোটে এখানে ভোট পড়েছিল ৭৫.৬০ শতাংশ।
অসমে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৪.৪২ শতাংশ। ২০২১ সালে অসমে ভোট পড়েছিল ৮২.৪২ শতাংশ।
পুদুচেরিতে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৬.৯২ শতাংশ। পাঁচ বছর আগে, ২০২১ সালে পুদুচেরিতে ভোট পড়েছিল ৮৩.৪২ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ৩টে পর্যন্ত অসমে ভোট পড়েছে ৭৫.৯১ শতাংশ, কেরলে ভোট পড়েছে ৬২.৭১ শতাংশ এবং পুদুচেরিতে ৭২.৪০ শতাংশ।
ভোট দিল জ়ুবিন গর্গের পরিবার। গুয়াহাটির একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন জ়ুবিনের স্ত্রী গরিমা শইকিয়া এবং বোন পালমি বরঠাকুর।
কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে ভোট দিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী তরুর। ভোট দিয়ে তিনি বলেন, “এখানে বিজেপি কোনও ফ্যাক্টর নয়। এটা এমন একটা রাজ্য, যেখানকার বিধানসভায় বিজেপির আসনসংখ্যা শূন্য।” তরুরের মতে, কেরলে লড়াই বাম এবং কংগ্রেসের মধ্যে।
ভোট দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দুপুর ১টা পর্যন্ত অসমে ভোট পড়েছে ৫৯.৬৩ শতাংশ। কেরলে ভোট পড়েছে ৪৯.৭০ শতাংশ এবং পুদুচেরিতে ৫৬.৮৩ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেলা ১১টা পর্যন্ত অসমে ৩৮.৯২ শতাংশ, কেরলে ৩৩.২৮ শতাংশ এবং পুদুচেরিতে ৩৭.০৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।
ভোট দেওয়ার আগে কামাখ্যা মন্দিরে পুজো দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা জালুকবাড়ি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিনিকি ভুয়ান শর্মাও।
অসমের মানুষ সে রাজ্যের নতুন ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবেন! ভোট দিয়ে এমনই জানালেন অসমের কংগ্রেস সভাপতি তথা জোরহাটের প্রার্থী গৌরব গগৈ। তিনি বলেন, “আমরা অসমের শিকড় আর গণতন্ত্রকে মজবুত করতে চাই।”
যে সরকার কথা শোনে, মানুষের যত্ন নেয় এবং পরিষেবা দেয়, তাদের নির্বাচিত করার আর্জি জানালেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে। বৃহস্পতিবার সকালে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে কেরলবাসীর উদ্দেশে তিনি লেখেন, “গত ১০ বছরে আপনারা (কেরলে) বেকারত্ব, অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং অস্থিরতার সাক্ষী থেকেছেন।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য কেরলের জোরের জায়গা। এই জোরের জায়গায় বিভাজন আনবেন না।” মনে করা হচ্ছে, এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি বাম এবং বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়েছেন। কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত ১০ বছর ধরে কেরলে ক্ষমতায় আছে বামেরা। এ বার দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে পরিবর্তন চাইছে কংগ্রেস।
তিন রাজ্যের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন চলছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত কর্নাটকের দেবনাগরী দক্ষিণ এবং বাগালকোট কেন্দ্রে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৯.০১ শতাংশ এবং ১১.৮৭ শতাংশ। নাগাল্যান্ডের কোরিডাং কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১৯.৮০ শতাংশ। আর ত্রিপুরার ধর্মনগরে ভোট পড়েছে ১৫.৬৩ শতাংশ।
পুদুচেরিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী থিয়াগারাজনের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকার টোপ দেওয়ার অভিযোগ। থিয়াগরাজন এ বার এনডিএ শিবিরের দল এনআর কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে পাগুর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অভিযোগ, তাঁর অনুগামীরা ভোটের আগে ভোটারদের বাড়ি গিয়ে একটি হাতে লেখা চিরকুট দিয়ে আসছেন। সেই চিরকুটে নাকি বলা হয়েছে, ভোট দিলে পরে নগদ অর্থ এবং অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হবে। ভোটারদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে ভোট নেওয়ার অভিযোগ পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন বিরোধী প্রার্থী সেন্থিলকুমার। দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পাথর ছোড়াছুড়িতে জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
মিথ্যা প্রচার করে বাম নেতৃত্বাধীন জোট এলডিএফ-কে কেরলে পরাজিত করা যাবে না বলে দাবি করলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা পিনারাই বিজয়ন। তিনি বলেন, “গত ১০ বছর ধরে বামেরা কেরলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই যাত্রা চলবে। সরকার এবং মানুষের মধ্যে আস্থা এবং বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় হবে।”
১৪০ আসনবিশিষ্ট কেরল বিধানসভায় কংগ্রেসের আসনসংখ্যা ১০০ ছাড়াবে বলে দাবি করলেন কংগ্রেস সাংসদ কেসি বেণুগোপাল। কেরলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী সে রাজ্যের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা পেরুভুর কেন্দ্রের প্রার্থী সানি জোসেফও। বেণুগোপালের সুরেই কেরলের বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, ১০০-র বেশি আসনে জয়ী হবে কংগ্রেস।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে সকাল ৯টা পর্যন্ত অসমে ১৭.৮৭ শতাংশ, কেরলে ১৬.২৩ শতাংশ এবং পুদুচেরিতে ১৭.৪১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
ভোটের দিন সকালে বাড়িতে পুজোয় বসলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সমাজমাধ্যমে পুজোর একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লেখেন, “ঈশ্বরের আশীর্বাদে এবং মানুষের আস্থায় অসমের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে ভোট দিলেন অভিনেতা মোহনলাল।
পুদুচেরির একটি সরকারি স্কুলে ভোট দিলেন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা ভি নারায়ণস্বামী।
কন্নুরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা পিনারাই বিজয়ন।
অসম, কেরল এবং পুদুচেরির বাসিন্দাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার সকালে সমাজমাধ্যমে তিনটি পৃথক পোস্ট করে তিনি ভোটদানের হার আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। বিশেষত মহিলা এবং যুবদের আরও বেশি সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করেন। মনে করিয়ে দেন যে, প্রতিটি ভোট গুরুত্বপূর্ণ।