—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য অসম এবং দক্ষিণ ভারতের কেরলের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট হচ্ছে। ভোটগণনা হবে আগামী ৪ মে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুর সঙ্গেই।
অসমে বিধানসভা আসনের সংখ্যা ১২৬, কেরলে ১৪০ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ৩০। কেরলে ৮৯০, অসমে ৭২২ এবং পুদুচেরিতে ২৯৪ জন প্রার্থী রয়েছেন ভোটের ময়দানে। তিন বিধানসভাতেই এক দফায় ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
কর্নাটক, নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরার একটি করে বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনও হবে বৃহস্পতিবার। গোয়ার পোন্ড আসনেও বৃহস্পতিবার উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পশ্চিম ভারতের ওই রাজ্যে বিধানসভার মেয়াদ আর মাত্র এক বছর অবশিষ্ট থাকায় বম্বে হাই কোর্ট উপনির্বাচন বাতিলের রায় দিয়েছে।
কেরলে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (ধর্মদম, সিপিএম), প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজা (পেরাভুর, সিপিএম), প্রাক্তন মন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা (হরিপড়, কংগ্রেস), প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর (নেমোম, বিজেপি)। অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (জালুকবাড়ি, বিজেপি), লোকসভায় কংগ্রেসের সহকারী নেতা গৌরব গগৈ (জোরহাট, কংগ্রেস), সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতা অখিল গগৈ (শিবসাগর, রাইজর দল)। পুদুচেরিতে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামী থাট্টানচাভাড়ি এবং মঙ্গলম আসনে প্রার্থী। থাট্টানচাভাড়িতে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভি বৈথিলিঙ্গম।
কেরলে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফের সঙ্গে ক্ষমতাসীন বামজোট এলডিএফের। সেখানে গত ১০ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন সিপিএম নেতা পিনারাই বিজয়ন। অসমে ক্ষমতাসীন বিজেপি-অসম গণ পরিষদ জোটের মোকাবিলায় এ বার কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটে সিপিএম, সিপিআইএমএল (লিবারেশন), ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম), প্রাক্তন আসু (অল অসম স্টুডেন্টস ইউনিয়ন) নেতাদের দল ‘অসম জাতীয় পরিষদ’, জনজাতি সংগঠন ‘অল পার্টি হিল লিডার্স কনফারেন্স’ এবং সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নেতা অখিল গগৈয়ের রাইজর দল শামিল হয়েছে। তৃণমূল সেখানে আলাদা ভাবে লড়ছে ২৩ আসনে। অন্য দিকে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ক্ষমতায় রয়েছে এনআর কংগ্রেস-বিজেপি-এডিএমকে জোট। মুখ্যমন্ত্রী এনআর কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান এন রঙ্গস্বামী। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস-ডিএমকে জোট।