Lok Sabha Election 2019

‘মেঘনাদ তত্ত্ব’ নিয়ে মোদীকে নিশানা ভাইবোনের

রাহুলের চেয়েও এক কদম এগিয়ে ‘মেঘনাদ তত্ত্ব’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন প্রিয়ঙ্কা।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

ইনদওর ও নীমচ শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০১৯ ০১:৫১
Share:

ছবি: পিটিআই।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘মেঘনাদ তত্ত্ব’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কম ঠাট্টা হয়নি। এ বার ওই তত্ত্ব নিয়ে নির্বাচনী জনসভায় মোদীকে কটাক্ষ করলেন রাহুল গাঁধী ও প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা। প্রধানমন্ত্রীকে কংগ্রেস সভাপতির প্রশ্ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় রেডার থেকে কি সব বিমান উধাও হয়ে যায়? কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কার খোঁচা, দেশবাসীর রেডারে রয়েছেন উনি।

Advertisement

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার অভিযান সম্পর্কে মোদী দাবি করেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই অভিযানের রাতে প্রবল বৃষ্টি নামায় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞেরা যুদ্ধবিমান পাঠানো নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন। চেয়েছিলেন অভিযান পিছোতে। মোদী বলেন, ‘‘আমি বিশেষজ্ঞ নই, কিন্তু সাধারণ জ্ঞানের ভিত্তিতে মনে হল, মেঘ থাকলে আমরা পাক রেডার থেকে বাঁচতে পারি।’’ প্রধানমন্ত্রী একে ‘ক্লাউড বেনিফিট’ বলেছিলেন। ওই বক্তব্য নিয়ে মশকরা হলেও রাহুল-প্রিয়ঙ্কা এত দিন চুপ ছিলেন। আজ মধ্যপ্রদেশের নীমুচে রাহুল বলেন, ‘‘মোদীজি, দেশে যখন বৃষ্টি হয় তখন কি রেডার থেকে সব বিমান অদৃশ্য হয়ে যায়?’’

রাহুলের চেয়েও এক কদম এগিয়ে ‘মেঘনাদ তত্ত্ব’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করেছেন প্রিয়ঙ্কা। ইনদওরের সভায় তাঁর কটাক্ষ, ‘‘পাঁচ বছরের প্রধানমন্ত্রিত্বে মোদী দেশবাসীকে শুধু জুমলাই উপহার দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী ভাবছেন, মেঘলা আবহাওয়ায় মানুষের রেডারে উনি ধরা পড়ছেন না।’’ রাফাল দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে প্রিয়ঙ্কার খোঁচা, ‘‘উনি এত বড় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ যে একাই ঠিক করে ফেললেন রাফাল যুদ্ধবিমান কোন সংস্থা তৈরি করবে। এমন সংস্থার নাম ঠিক করলেন, যারা কখনও যুদ্ধবিমানই তৈরি করেনি। ওই সংস্থাকে জমিও দিয়েছেন। মেঘলা কিংবা রোদ ঝলমল— দিন যেমনই হোক, প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি মানুষ ধরে ফেলেছেন।’’

Advertisement

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন