চর সন্দেহে রাজস্থান থেকে ধৃত এক যুবক। প্রতীকী ছবি।
পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে গুজরাতের কচ্ছ থেকে শনিবারই গ্রেফতার করা হয় সহদেব সিংহ গিল নামে এক ব্যক্তিকে। তার ঠিক কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একই অভিযোগে পড়শি রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হল আরও এক ব্যক্তিকে। ধৃতের নাম কাশিম।
রাজস্থানের ডিগ থেকে কাশিমকে গ্রেফতার করে রাজ্যের অপরাধদমন শাখা এবং গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানে একাধিক বার ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন কাশিম। কাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল, ওই সময়ে কাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল, কাশিমের ফোন ঘেঁটে সেই তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, শুধু ফোনে যোগাযোগই নয়, পাকিস্তানে বেশ কয়েক বার গিয়েছিলেন বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। কাশিমের ফোন ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। কোনও গোপন তথ্য পাচার করেছেন কি না কাশিম, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর হয়ে চরবৃত্তির সন্দেহে এ মাসের গোড়াতেই জয়সলমের থেকে পাঠান খান এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০১৩ সালে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন পাঠান। সেই সময় আইএসআই আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন। তার পর থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং মোটা অঙ্কের বিনিময়ে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পাচার করতেন বলে অভিযোগ।
চরবৃত্তির অভিযোগে এখনও পর্যন্ত পঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ এবং দিল্লি থেকে মোট ১৫ জন গ্রেফতার হয়েছে। এই তালিকায় নতুন সংযোজন রাজস্থানের কাশিম। শনিবার গুজরাতের কচ্ছ থেকে সহদেব নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সন্ত্রাসদমন শাখা। তিনি পেশায় স্বাস্থ্যকর্মী। আইএসআই-এর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানি চরকে পাচার করেছেন সহদেব।