মোদীর পাক-নীতি নিয়ে প্রশ্ন

কাশ্মীর নিয়ে দিল্লি-ইসলামাবাদ তরজায় ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কটাই অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে। প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর পাক-নীতি নিয়ে। অথচ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মোদী পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির জন্য চেষ্টা চালিয়ে গেছেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ জুলাই ২০১৬ ০৩:৫২
Share:

কাশ্মীর নিয়ে দিল্লি-ইসলামাবাদ তরজায় ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কটাই অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে। প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর পাক-নীতি নিয়ে। অথচ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মোদী পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির জন্য চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। শপথের পর দিনই পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে প্রস্তুতিহীন বৈঠক বা কার্যত বিনা নিমন্ত্রণে নওয়াজের জন্মদিনে লাহৌরে চলে যাওয়ার মধ্যে সেই বার্তাটাই ছিল। যা গত কয়েক মাসে ধাক্কা খেতে খেতে এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই জায়গাটায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ অনেকটা সফল হন। মনমোহনের মতে, নিরাপত্তার প্রশ্নে পাকিস্তানকে সব সময় আলোচনায় টেনে আনা জরুরি। শেষ পর্যন্ত পাক সেনা এবং আইএসআই-এর বাধায় তিনিও বেশি দূর এগোতে পারেননি।

মোদী বারবার নওয়াজের সঙ্গে ‘ব্যক্তিগত রসায়ন’ তৈরির চেষ্টা করেছেন। কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা বারবার বলেছে, বর্তমান সরকারের পাক-নীতির কোনও ধারাবাহিকতা নেই। গত বছর দু’দেশের বিদেশসচিব পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে সামগ্রিক আলোচনা ফের শুরু হওয়ার বিষয়টি ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু হুরিয়ত নেতাদের সঙ্গে নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত পাক রাষ্ট্রদূতের বৈঠক নিয়ে দ্বন্দ্বে গোটা আলোচনা প্রক্রিয়াটাই অনির্দিষ্ট কালের জন্য ঝুলিয়ে রাখা হল। কূটনীতিকদের একাংশের মতে, বিষয়টিকে বাস্তবসম্মত ভাবে মিটিয়ে আলোচনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তখন কাম্য ছিল। প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী আনন্দ শর্মার কথায়, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল, পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সংযোগ জোরদার করা। উনি অনেক ‘আউট অব দ্য বক্স’ আইডিয়া দেখিয়েছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করতে পারেননি!’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement