Enforcement Directorate

কোথায় সেই ওসি, ইডির সন্ধান শুরু নোটিস দিয়ে

কয়লা পাচারের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে অতীতে আসানসোল ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের কর্তারা মনোরঞ্জনকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করেছিলেন। বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ হয়েছিল।

শুভাশিস ঘটক

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৯
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

বার বার তলব করা হলেও সাড়া মেলেনি। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বারাবনি থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের ‘খোঁজ মিলছে না’ কিছুতেই। ফোন বন্ধ। তাঁর দুর্গাপুরের বাড়ি বা সম্ভাব্য কয়েকটি ঠিকানাতেও তিনি বেপাত্তা। কিছুতেই ২০২৫-এর কয়লা পাচার মামলায় সন্দেহভাজন পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি ইডি সূত্রের।

ইডি সূত্রে দাবি, এখনও পর্যন্ত তিন বারের বেশি ওই পুলিশ অফিসারকে ইমেল করে নোটিস দেওয়া হয়েছে। মনোরঞ্জনের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, ১৯ ফেব্রুয়ারি মনোরঞ্জন ইডির তলবি নোটিসের প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেছে। ওই আবেদন বিচারাধীন। এ রাজ্যের কয়লা পাচার সিন্ডিকেটের চাঁই বলে ধৃত মামা-ভাগ্নে চিন্ময় মণ্ডল এবং তাঁর ভাগ্নে কিরণ খানের মোবাইলের সূত্র ধরেই মনোরঞ্জনের নাম উঠে আসে।

কয়লা পাচারের মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে অতীতে আসানসোল ও দুর্গাপুর কমিশনারেটের কর্তারা মনোরঞ্জনকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করেছিলেন। বিভাগীয় তদন্তেরও নির্দেশ হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁর বুদবুদ থানায় বদলির নির্দেশ হয়। কিন্তু কয়লা পাচারের মামলায় ওই পুলিশ অফিসারের দুর্গাপুরের বাড়িতে ইডির তল্লাশি অভিযানের পরে তাঁকে কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতরে বদলি করা হয়েছিল।

চিন্ময়ের মোবাইল ফোনে ‘ওসি মনোরঞ্জন’ নামে ওই পুলিশ আধিকারিকের নম্বর ‘সেভ’ করা বলে জানতে পারেন তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, মামা-ভাগ্নের সঙ্গে মনোরঞ্জনের আর্থিক লেনদেনের নানা সূত্র মিলেছে। এমনকি তাঁদের দু’জনের থেকে চেক মারফত প্রায় দেড় কোটি টাকাও মনোরঞ্জনের কাছে জমা পড়েছিল বলেও দাবি তদন্তকারীদের। তাঁরা আরও দাবি করেছেন যে, মামা-ভাগ্নের মোবাইল ফোনে ওই চেকের ছবিও রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন