Bolivia Plane Crash

টাকার বান্ডিল ভর্তি বিমান মুখ থুবড়ে পড়ল বলিভিয়ার রাস্তায়! একাধিক গাড়ি দুমড়ে মৃত অন্তত ১৫, তবু নোট কুড়োনোর হিড়িক

আমেরিকায় তৈরি হারকিউলিস বিমান নোট পরিবহণের জন্য ব্যবহার করছিল বলিভিয়ার সেনাবাহিনী। সাধারণত অমসৃণ রানওয়ের উপরেও এই ধরনের বিমান নির্বিঘ্নে অবতরণ করতে পারে। তবু দুর্ঘটনা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০৪
Share:

বলিভিয়ার রাস্তায় সেনাবাহিনীর বিমানের ধ্বংসাবশেষ। ছবি: রয়টার্স।

বলিভিয়ার রাজধানী লা পেজ় শহরের কাছে দুর্ঘটনা। বিমানবন্দরের সামনের রাস্তাতেই মুখ থুবড়ে পড়ল সেনাবাহিনীর বিমান। ওই মালবাহী বিমানটিতে টাকার বান্ডিল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর বহু নোট রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। সেগুলি কুড়িয়ে নিতে জড়ো হন অনেকে। তবে বিমানের ধ্বংসাবশেষের ধাক্কায় হাইওয়ের উপর বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১৫ জনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

Advertisement

লা পেজ় লাগোয়া এল অল্টো শহরে শুক্রবার বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর ওই বিমান দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক থেকে সদ্য ছাপা নোট নিয়ে বেরিয়েছিল। বিভিন্ন শহরে তা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। মনে করা হচ্ছে, অবতরণের সময়েই পাইলট বিমানের নিয়ন্ত্রণ হারান। সংবাদসংস্থা এপি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ফলে অন্তত ১৫টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁরা বিমানের ভিতরে ছিলেন না রাস্তার উপরে থাকা গাড়িগুলিতে ছিলেন, এখনও স্পষ্ট নয়। অনেকে আহতও হয়েছেন।

হাইওয়ের উপর মুখ থুবড়ে পড়ার পর দুমড়ে যাওয়া গাড়িগুলিকে সঙ্গে নিয়েই বেশ কিছু দূর এগিয়ে যায় বিমানটি। তত ক্ষণে তাতে আগুন ধরে গিয়েছে। এর পর রাস্তার পাশে একটি মাঠের উপর গিয়ে থামে ওই বিমান। দুর্ঘটনাস্থলের একাধিক ছবি এবং ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে, বিমানের ধ্বংসাবশেষ, ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি এবং মৃতদেহ ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছে। দমকলবাহিনী বিমানের আগুন নিবিয়ে উদ্ধারের কাজ শুরু করে। তবে তত ক্ষণে অনেকে বিমানের আশপাশে জড়ো হয়ে ছড়িয়ে থাকা নোট কুড়োতে শুরু করে দিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের সরিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিল। এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

আমেরিকায় তৈরি হারকিউলিস বিমান নোট পরিবহণের জন্য ব্যবহার করছিল বলিভিয়ার সেনাবাহিনী। অমসৃণ রানওয়ের উপরেও এই ধরনের বিমান নির্বিঘ্নে অবতরণ করতে পারে। ১৯৫৪ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে মালপত্র পরিবহণের কাজে হারকিউলিস বিমান ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া, সেনা পরিবহণ, মুমূর্ষু রোগীকে এক জায়গা থেকে দ্রুত অন্যত্র নিয়ে যাওয়া কিংবা যে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে এই বিমান কাজে লাগে। কেন বলিভিয়ায় বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ল, যান্ত্রিক কোনও ত্রুটি তাতে ছিল কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থেকে সমস্ত বিমানের যাতায়াত সাময়িক ভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement