Refugees

বাস্তুহারারা শরণার্থী নন, যোদ্ধা, দাবি ভাগবতের

নাগপুরে সিন্ধু এডুকেশন সোসাইটির ৭৫তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ভাগবত বলেছেন, সদ্যগঠিত পাকিস্তান থেকে ভারতে আসা মানুষরা তাঁদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে তোলা বাড়িঘর, ব্যবসা, জমিজমা ও সম্পদ ফেলে এসেছিলেন।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ০৭:১৪
Share:

মোহন ভাগবত। — ফাইল চিত্র।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত গত কাল জানান, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর যাঁরা ভারতে চলে এসেছিলেন, তাঁদের ‘উদ্বাস্তু’ বা ‘শরণার্থী’ বলা উচিত নয়। বরং তাঁরা ছিলেন ‘যোদ্ধা’, যাঁরা দেশ ও নিজেদের ধর্মের জন্য অসীম ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।

নাগপুরে সিন্ধু এডুকেশন সোসাইটির ৭৫তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ভাগবত বলেছেন, সদ্যগঠিত পাকিস্তান থেকে ভারতে আসা মানুষরা তাঁদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে তোলা বাড়িঘর, ব্যবসা, জমিজমা ও সম্পদ ফেলে এসেছিলেন। তাঁরা এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, কারণ তাঁরা এমন এক দেশে বাস করতে চেয়েছিলেন যেখানে ভয় ছাড়া নিজেদের ধর্ম পালন করা সম্ভব। দেশভাগের পর যাঁরা ভারতে এসেছিলেন, তাঁরা সচেতন ভাবেই ভারতকে বেছে নিয়েছিলেন। তাই তাঁদের ‘শরণার্থী’ বলা ঠিক নয়। কারণ তাঁরা বাধ্য হয়ে নয়, বরং দেশ ও ধর্মের প্রতি অগাধ ভালবাসা থেকেই নিজেদের জীবিকা, সম্পদ ও স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করেছিলেন। ভাগবত বলেন, ‘‘তাঁরা বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন, কিন্তু তাঁরা শরণার্থী ছিলেন না। সেই সময়ে তাঁদের ‘শরণার্থী’ বলা হয়েছিল। তা ছিল একটি ভুল শব্দ। তাঁরা ছিলেন যোদ্ধা। মাতৃভূমি ও নিজেদের ধর্মের প্রতি ভালবাসা থেকে সংগ্রাম করেছিলেন। আমরা ভারতকে অখণ্ড রাখতে যে লড়াই লড়েছিলাম, সেই লড়াইয়ে আমরা সবাই পরাজিত হয়েছি। কিন্তু তাঁরা কী বেছে নিয়েছিলেন? তাঁরা কর্মজীবন বা সম্পদকে বেছে নেননি; তাঁরা দেশকে বেছে নিয়েছিলেন, তাঁরা তাঁদের ধর্মকে বেছে নিয়েছিলেন।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন