(বাঁ দিকে) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।
উত্তরপ্রদেশে ভোটারদের খসড়া তালিকা থেকে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ গিয়েছে লখনউয়ে। প্রায় ১২ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে শুধু লখনউ থেকেই। এসআইআর শুরুর আগে সেখানে যত ভোটার ছিলেন, তার প্রায় ৩০ শতাংশই বাদ পড়েছেন। এর পরেই রয়েছে গাজ়িয়াবাদ। সেখানে ৫ লক্ষ ৮৩ হাজার ভোটারের (প্রায় ২৯ শতাংশ) নাম বাদ গিয়েছে। বারাণসী এবং গোরক্ষপুর জেলা থেকেও অনেক ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে।
মঙ্গলবারই উত্তরপ্রদেশে এসআইআর-এর খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। খসড়া তালিকায় বাদ গিয়েছে প্রায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ভোটারের নাম। খসড়া তালিকার জেলাভিত্তিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি নাম বাদ গিয়েছে লখনউয়েই। গত বছরের অক্টোবরের হিসাবে লখনউয়ে ৩৯ লক্ষ ৯৪ হাজার জন ভোটার ছিলেন। খসড়া তালিকায় তা কমে হয়েছে ২৭ লক্ষ ৯৪ হাজার। যে ১২ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, তার মধ্যে ১.২৮ লক্ষ ভোটার বর্তমানে মৃত। ৪.২৮ লক্ষ ভোটারের সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া ৫.৩৬ লক্ষ ভোটার স্থায়ী ভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন।
বারাণসী জেলায় এসআইআর-এর খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ১৮.১৮ শতাংশ ভোটারের নাম। এই জেলার বারাণসী লোকসভা কেন্দ্রেরই সাংসদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গত বছরের অক্টোবরে বারাণসী জেলার ভোটারসংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৫৩ হাজার। খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ৫.৭৩ লক্ষ ভোটারের নাম। সে জেলায় খসড়া তালিকায় রয়েছে ২৫ লক্ষ ৮০ হাজার ভোটারের নাম।
গোরক্ষপুর জেলায় খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ৬ লক্ষ ৪৫ হাজার ভোটারের নাম। এসআইআর শুরুর আগে যত ভোটার ছিলেন এই জেলায়, তার প্রায় ১৭.৬১ শতাংশের নাম বাদ গিয়েছে খসড়া তালিকা থেকে। এই জেলার গোরখপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এর পাশাপাশি রায়বরেলী জেলা থেকে বাদ পড়েছে ১৬.৩৫ শতাংশ ভোটারের নাম। অমেঠী জেলা থেকে বাদ গিয়েছে ১৮.৬০ শতাংশ ভোটারের নাম।
গাজ়িয়াবাদে যে ৫.৮৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, তার মধ্যে ৬৪ হাজার মৃত। সন্ধান মেলেনি ৩.২০ লক্ষ ভোটারের। পাশাপাশি ৩.৬০ লক্ষ ভোটার স্থায়ী ভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের তালিকায় এ বার পরেই বলরামপুর, কানপুর এবং প্রয়াগরাজ জেলা। বলরামপুরে প্রায় ২৬ শতাংশ, কানুপরে ২৫.৫ শতাংশ এবং প্রয়াগরাজে ২৪.৬৪ শতাংশ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে।