ছোটা রাজন।—ফাইল চিত্র।
তার নামে নেই নেই করে ২০ করে খুনের মামলা রয়েছে। এ ছাড়াও মুম্বই পুলিশের খাতায় তোলা আদায়, ড্রাগপাচার, অস্ত্রপাচার-সহ একাধিক মামলা রয়েছে ছোটা রাজনের নামে। অথচ সেই মুম্বই পুলিশের অভিযোগ, তারা নাকি জানতই না তাঁর গ্রেফতারের খবর! এমনকী, ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ছোটা রাজনকে গ্রেফতারের কোনও পরিকল্পনার কথাও তাদের জানানো হয়নি সরকারি ভাবে। অথচ রবিবার সিডনি থেকে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে পৌঁছনো মাত্রই তাঁকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি যে বালিতে আসছেন সে কথা ইন্দোনেশিয়া প্রশাসনকে জানিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া পুলিশ। অথচ গোটা ঘটনায় অন্ধকারে রাখা হয়েছিল মুম্বই পুলিশকে।
এর আগে যদিও মুম্বই পুলিশ রাজনকে ধরার অনেক বার প্রস্তুতি নিয়েও ব্যর্থ হয়েছে। ২০০০-এর সেপ্টেম্বরে ব্যাঙ্ককে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন রাজন। তাঁকে সেই সময় গ্রেফতার করতে মুম্বইয় পুলিশের কয়েক জন অফিসার ব্যাঙ্কক পৌঁছন। কিন্তু, আগেভাগে সে খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত! মুম্বই পুলিশের কেউ কি ছোটা রাজনের কাছে খবর পৌঁছে দিয়েছিল!
মুম্বই পুলিশকে অন্ধকারে রেখে ছোটা রাজনের গ্রেফতারির পর ফের সেই প্রশ্নটা আবার মাথা চাড়া দিয়েছে। তবে কি, সর্ষের মধ্যে ভূত থাকার আশঙ্কাকে প্রাধান্য দিয়েই তাদের কিছু জানানো হল না?