মুখ সামলে চলুন, পরামর্শ মোদীর

কথা বলা নয়। এ বারে কথা না বলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বিজেপিতে!দলের কর্মসমিতির শেষ দিনে খোদ প্রধানমন্ত্রী দলের নেতাদের সতর্ক করে বললেন, মুখ সামলে চলুন। ‘শৈল্পিক নীরবতা’ অভ্যাস করুন। আর মঞ্চে থাকা সভাপতি অমিত শাহকে বললেন, কথা না বলার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন।

Advertisement

দিগন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৭ ০৩:৫০
Share:

নেতা-কর্মীদের পরামর্শ মোদীর। ছবি: পিটিআই।

কথা বলা নয়। এ বারে কথা না বলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বিজেপিতে!

Advertisement

দলের কর্মসমিতির শেষ দিনে খোদ প্রধানমন্ত্রী দলের নেতাদের সতর্ক করে বললেন, মুখ সামলে চলুন। ‘শৈল্পিক নীরবতা’ অভ্যাস করুন। আর মঞ্চে থাকা সভাপতি অমিত শাহকে বললেন, কথা না বলার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন।

বিজেপির ছোট-বড় নেতাদের বেসামাল মন্তব্যের জেরে প্রায়শই বেগ পেতে হয় দলের নেতৃত্বকে। উত্তরপ্রদেশের বড় জয়ের পর বিজেপি এখন গোটা দেশে প্রভাব বাড়াতে চাইছে। তার সঙ্গে বাড়ছে দায়িত্বও। এমন এক সময় কোনও বেসামাল কথা চোনা ফেলে দিতে পারে। সেই জন্যই আজ হাল্কা চালের আড়ালে ভারী কথা বলে দিলেন নরেন্দ্র মোদী।

Advertisement

দলের নেতাদের বললেন, মাইক-ক্যামেরা এমন কোনও যন্ত্র নয়, যা দেখলেই কথা বলতে হবে। দেশের যে কোনও প্রান্তে দলের কেউ কোনও কু-কথা বললেই বিরোধীরা কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে জবাবদিহি চায়। মন্ত্রীর জবাব চায়। তা সামাল দিতেই হিমশিম খেতে হয়। এমন কথা ‘দলের মত নয়’ বলে যুক্তি সাজাতে হয়। ফলে কত কম কথা বলা যায়, তার প্রশিক্ষণ দরকার।

প্রধানমন্ত্রী অবশ্য এই সতর্কবাণী দিয়েছেন বন্ধ ঘরে। পরে এ বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতে আসা মোদী সরকারের মন্ত্রী নিতিন গডকড়ীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, কিছু কথা দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে, বাইরে বলার নয়। কর্মীদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু মজার বিষয়, তার আগেই প্রধানমন্ত্রীর বন্ধ ঘরের হুঁশিয়ারি কানে-কানে বেরিয়ে এসেছে বাইরে!

শৈল্পিক নীরবতা!

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement