প্রতীকী চিত্র।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে একটি করে ডিম খেতে পায় স্কুল পড়ুয়ারা। সেই অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দ হয় মিড-ডে মিলে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি এক নির্দেশিকা জারি করে স্কুল শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে অতিরিক্ত ১২টি ডিম খাওয়াতে হবে প্রতি পড়ুয়াকে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিড-ডে মিল-এ পুষ্টিকর খাদ্য পরিবেশনের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রায় ৭৭ কোটি ৯৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। রান্না করা খাবার খায় এমন প্রায় ৮১,১৯,৪১৫ পড়ুয়াকে এই ডিম খাওয়াতে হবে আগামী কয়েক দিনে। এ জন্য পড়ুয়া পিছু প্রায় ৮টাকা করে বরাদ্দ হচ্ছে। এই মর্মে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।
কিন্তু হঠাৎ কেন এই অতিরিক্ত বরাদ্দ?
শিক্ষক মহলের দাবি, গত বছর গরমের কারণে অতিরিক্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল স্কুলগুলিতে। সে সময় মিড-ডে মিলের বরাদ্দ বেঁচে গিয়েছিল। অর্থবর্ষের হিসাব ঠিক রাখতেই বছর শেষে এই অতিরিক্ত বরাদ্দের নির্দেশ এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে। উঠে আসছে আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গও। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “পড়ুয়াদের যে পুষ্টির প্রয়োজন, তা ভোট এলেই মনে পড়ে সরকারে। পরে আর তা মনে থাকে না। গত বছর অতিরিক্ত গরমের ছুটি দিয়ে অনেক টাকা বেঁচে গিয়েছিল, তারই কিছুটা বরাদ্দ করা হয়েছে।”
নিয়ম অনুযায়ী সপ্তাহে একদিন করে ডিম-ভাত দেওয়া হয় মিড-ডে মিলে। নয়া নির্দেশিকার পরে আগামী কয়েক সপ্তাহ আরও দু’তিন দিন ডিম পাবে প্রত্যেক পড়ুয়ারা। কারণ যাই হোক, শিক্ষকদের অনেকেই মনে করছেন খানিকটা হলেও লাভ হবে পড়ুয়া