SIR

জাতীয় ঘোষণাপত্রে জোর নিখুঁত ভোটার তালিকায়

জাতীয় ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, নিখুঁত ভোটার তালিকাই গণতন্ত্রের ভিত্তি। স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা গণতন্ত্রকেই মজুবত করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:২৪
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

তৃতীয় পর্বে আগামী এপ্রিল মাস থেকে দেশের বাকি অংশে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার আগে আজ মুখ্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিকদের গোল টেবিল বৈঠকে গৃহীত ‘জাতীয় ঘোষণা’য়(ন্যাশনাল ডিক্লারেশন, ২০২৬) জোর দেওয়া হল নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরির উপরেই। দীর্ঘ ২৭ বছর পরে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের মধ্যে ওই গোল টেবিল বৈঠক হল। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বৈঠকে যোগ দেননি।

জাতীয় ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, নিখুঁত ভোটার তালিকাই গণতন্ত্রের ভিত্তি। স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা গণতন্ত্রকেই মজুবত করে। পঞ্চায়েত ও পুরসভা নির্বাচন সংক্রান্ত আইন এবং লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের প্রশ্নে যে আইনগুলি রয়েছে সেগুলির সমন্বয় ঘটাতে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন যৌথ ভাবে কাজ করবে বলেও তাতে উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের জন্য পৃথক আইনের সমন্বয়ে যে ভাবে আজ জোর দেওয়া হয়েছে, তা আসলে মোদী সরকারের প্রার্থিত ‘এক দেশ এক ভোটে’র লক্ষ্যেই বাড়তি পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের আন্তর্জাতিক কাজকর্মে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনগুলিকেও যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ঘোষণাপত্রে। কমিশন জানিয়েছে, আজকের বৈঠকে যে সব পরামর্শ উঠে এসেছে, তার কার্যকারিতা বিচার করবে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের যৌথ দল। নতুন কী পদক্ষেপ করা যায় সে বিষয়ে আগামী তিন মাসের মধ্যে রাজ্যগুলিকে রিপোর্ট জমা দিতেও বলা হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় ও সাংবিধানিক স্বার্থে ইসিআইনেট, ইভিএম ভোটার তালিকা, আইআইআইডিইম-এর বিশ্বমানের পরিকাঠামো সমস্ত রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিশন।

গোড়া থেকেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। আজ এ প্রসঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘‘এসআইআর প্রক্রিয়ার লক্ষ্য, যোগ্য ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে অযোগ্য ভোটারদের বাদ দেওয়া।’’

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দূরত্ব মুছে প্রয়োজনীয় সমন্বয় গড়ে তোলায় গুরুত্ব দেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন