—প্রতীকী চিত্র।
বিদেশ থেকে আসা অর্থের সাহায্যে যে ব্যক্তি বা সংস্থা দেশে ধর্মান্তরণে সক্রিয় রয়েছে, তাঁদের আটকাতে বিদেশি অনুদান আইন সংশোধনী আনল নরেন্দ্র মোদী সরকার। আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই ওই বিলটি লোকসভায় পেশ করতে গেলে আপত্তি জানায় কংগ্রেস, তৃণমূলের মতো বিরোধী দলগুলি। বিরোধীদের দাবি অগ্রাহ্য করে বিলটি পেশের প্রস্তাব ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায়। আজ বিল পেশ হলেও এ নিয়ে আলোচনা এখনও শুরু হয়নি।
আজ অমিত শাহের পরিবর্তে তাঁর মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী বিলটি লোকসভায় পেশ করেন। রাই বলেন, মূল বিলটি ২০১০ সালে আনা হলেও, বিদেশি তহবিল ব্যবহারের প্রশ্নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই ওই সংশোধনী আনা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার সংস্থা বিদেশ থেকে বছরে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা অনুদান পায়। সংশোধনীতে বলা হয়েছে, যে সব সংস্থার এফসিআরএ রেজিস্ট্রেশন তামাদি হয়ে গিয়েছে, সেই সব সংস্থার হাতে থাকা বিদেশি তহবিল ও সম্পত্তি দেখভালের ভার সরকার মনোনীত কর্তৃপক্ষের হাতে চলে যাবে। যদি ওই সংস্থার এফসিআরএ রেজিস্ট্রেশন পাকাপাকি ভাবে বাতিল হয়, সে ক্ষেত্রে জনতার কাজে ওই অর্থ খরচ করতে পারবেন মনোনীত কর্তৃপক্ষ।
বিদেশ থেকে আসা অর্থের বড় অংশ এ দেশে ধর্মান্তরণের কাজে ব্যবহার হয় এবং একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাতে জড়িত বলে দীর্ঘ দিনের অভিযোগ। তাই সংশোধনী বিলে এ ধরনের অভিযুক্ত সংস্থার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার কথা বলা হয়েছে। আজ লোকসভায় বিলটি পেশের বিরোধিতা করেন কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারি। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত সাংবিধানিক সুরক্ষা তো নেইই, প্রশাসনকে ব্যাপক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষমতাও প্রদান করা হচ্ছে। তৃণমূল সাংসদ প্রতিমা মণ্ডলও জানান, এতে যাবতীয় ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। জবাবে রাই বলেন, ‘‘এই বিল তাদের জন্যই বিপজ্জনক যারা বিদেশি অনুদানের অর্থের বিনিময়ে দেশে ধর্মান্তরণ চালিয়ে যাচ্ছে বা বিদেশি অনুদানকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে