—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
এগারো বছর আগে তিন তৃণমূল কর্মী খুনের মামলা নিয়ে হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা জেলা সভাধিপতি কাজল শেখকে খোঁচা দিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএম প্রার্থী কামাল হাসান। পাল্টা কাজল বলছেন, অপপ্রচার হচ্ছে।
সমাজমাধ্যমে কামাল হাসান ‘হোক প্রতিবাদ— কাজল শেখ ধিক্কার, কুরবান শেখের খুনের বিচার চাই’ লেখা পোস্ট করেছেন। সেখানে ‘কাজলের শাস্তি চাই’ লিখেছেন। সিপিএম প্রার্থীর যদিও দাবি, ২০১৫ সালের ওই খুনেক ঘটনা নিয়ে নানুর থেকে কাজলের শাস্তি চেয়ে ওয়টস্যাপ গ্রুপে পোস্ট করা হয়েছে। সেই পোস্টের সঙ্গে তিনি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের কাটিং দিয়ে সমাজমাধ্যমে দিয়েছেন।
এই বিষয়ে কাজল শেখের প্রতিক্রিয়া, ‘‘কে কী বলল, তা দেখে আমার লাভ নেই। কাকে কান নিয়ে পালাল বলে কাকের পিছনে ছুটে বেড়াব নাকি আমি!’’ কাজলের দাবি, চার্জশিটে তাঁর নাম বাদ গিয়েছে। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটেও নাম বাদ দিয়েছে। সেখানে এ নিয়ে কারও কোনও প্রশ্ন থাকতে পারে না। নির্বাচনের আগে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার হচ্ছে দাবি করে কাজলের বক্তব্য, ‘‘যাঁরা অপপ্রচার করছেন, তাঁরা কি আদালত মানেন, আইন মানেন, শৃঙ্খলা মানেন? কারও কোনও অভিযোগ থাকলে উচ্চ আদালতে যেতে পারেন।’’
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে মোটরবাইকে বোলপুর-পালিতপুর রাস্তা দিয়ে বাহিরীর দিকে যাচ্ছিলেন কুরবান শেখ (২৮), মর্তুজা শেখ(২৫) ও বুড়ো শেখ(২২)। অভিযোগ নানুর ব্লকের একটি পঞ্চায়েতকে দেওয়া অ্যাম্বুল্যান্সে চেপে এসে আততায়ীরা রাস্তার উপরেই গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় ওই তিন জনকে। ওই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পরে। প্রথমে কাজল-সহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। পরে পুলিশ আরও কয়েক জনকে মামলায় অভিযুক্ত হিসাবে যোগ করে। বেশ কয়েক জন গ্রেফতারও হয়। তাঁরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
পুলিশের প্রথম চার্জশিটে কাজল-সহ ২৮ জনের নাম অভিযুক্ত হিসেবে রাখা হয়। পরে বোলপুর আদালত পুর্নতদন্তের নির্দেশ দেয়। তার বিরুদ্ধে কুরবানের বাবা কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেন। হাই কোর্ট জেলা পুলিশকে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা করতে বলে। পুলিশ সূত্রের খবর, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে কাজলের নাম ছিল না। ভোটের আগে কামাল ফের খুনের ঘটনার প্রসঙ্গ তুললেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে