Manipur Violence

মণিপুরে কুকি স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে খুন মেইতেই যুবক! অপহরণের পরে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় দেহ, নির্দেশ এনআইএ তদন্তের

কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ঋষিকান্ত কর্মসূত্রে নেপালে থাকতেন। স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য গত ১৯ জানুয়ারি চূড়াচাঁদপুরে ফেরেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:১৯
Share:

মণিপুরে নিহত যুবক মালাংলাম্বাম ঋষিকান্ত সিংহ। ছবি: সংগৃহীত।

স্ত্রী কুকি সম্প্রদায়ের। তাঁর সঙ্গেই দেখা করতে মণিপুরে ফিরেছিলেন মেইতেই সম্প্রদায়ের যুবক মালাংলাম্বাম ঋষিকান্ত সিংহ। অভিযোগ, সেই সময়েই তাঁকে অপহরণ করা হয়। এবং গুলি করে হত্যা করা হয়। ঋষিকান্তকে হত্যার সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। চূড়াচাঁদপুর জেলার ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

গত বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে ওই ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, অন্ধকারের মধ্যে হাত জোড় করে বসে রয়েছেন ওই যুবক। কিছু কথাও বলছেন। সম্ভবত প্রাণভিক্ষা করছেন। কিন্তু ভিডিয়োয় কোনও শব্দ না থাকায়, তিনি বলছেন তা স্পষ্ট নয়। পর ক্ষণেই একের পর এক গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হত ঋষিকান্তকে।

কী কারণে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ঋষিকান্ত কর্মসূত্রে নেপালে থাকতেন। স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য গত ১৯ জানুয়ারি চূড়াচাঁদপুরে ফেরেন তিনি। জানা যাচ্ছে, গত বুধবার চূড়াচাঁদপুরের বাড়ি থেকেই তাঁকে অপহরণ করা হয়। পরে অন্য একটি গ্রাম থেকে উদ্ধার হয় ঋষিকান্তের গুলিবিদ্ধ দেহ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে, ঘটনার রাতে ওই যুবকের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীকেও অপহরণ করা হয়েছিল। কুকি সম্প্রদায়ের একদল সশস্ত্র বিদ্রোহী তাঁদের অপহরণ করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানেই গুলি করে হত্যা করা হয় ঋষিকান্তকে। পরে তাঁর স্ত্রীকে ছেড়ে দেয় বিদ্রোহীরা। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, হামলাকারীরা বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মি’-র সদস্য হতে পারে। যদিও স্থানীয় কিছু সূত্রের দাবি, ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী চূড়াচাঁদপুরের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেদের যোগ অস্বীকার করেছে।

বুধবার রাতের ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মণিপুরের রাজ্যপাল অজয়কুমার ভল্লা। মণিপুরের লোকভবন (সাবেক রাজভবন) থেকে রাজ্যপালের বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে তিনি জানান, চূড়াচাঁদপুরের ওই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-কে দেওয়া হয়েছে। নিহতের পরিবারের প্রতিও শোকবার্তা জানিয়েছেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement