— প্রতীকী চিত্র।
জঙ্গিযোগের সন্দেহে ধৃত যুবককে জেলের মধ্যে খুনের অভিযোগ উঠল। রবিবার বেশি রাতের দিকে হরিয়ানার ফরিদাবাদে নিমকা জেলে বন্দি আব্দুল রহমানকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, ২০ বছর বয়সি ওই যুবককে হত্যার জন্য ধারালো পাথর জাতীয় কোনও বস্তু ব্যবহার করা হয়েছে।
গত বছরের মার্চে গুজরাত পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা এবং হরিয়ানা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার হন আব্দুল। তিনি অযোধ্যায় রাম মন্দিরে হামলার ছক কষছিলেন বলে অভিযোগ। আব্দুলের কাছ থেকে দু’টি গ্রেনেডও উদ্ধার হয়েছিল।
গ্রেফতারির পর ফরিদাবাদের এই জেলেই বন্দি ছিলেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে হরিয়ানার ওই জেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, রবিবার রাত ২টোর দিকে হামলা হয় আব্দুলের উপরে। ধারালো কোনও বস্তু দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। হামলার কথা জানাজানি হতেই রক্তাক্ত অবস্থায় আব্দুলকে হাসপাতালে নিয়ে যান কারা আধিকারিকেরা। কিন্তু তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
কে বা কারা, তাঁর উপরে হামলা চালিয়েছে, তা নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি কারা কর্তৃপক্ষ। তবে সূত্রের খবর, অরুণ চৌধরি নামে অপর এক বন্দি তাঁর উপরে হামলা চালিয়েছে। জম্মু এবং অমৃতসরে খুন এবং খুনের চেষ্টা মিলিয়ে মোট আটটি অভিযোগ রয়েছে অরুণের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে অভিযুক্ত ওই জেলে বন্দি রয়েছেন।
নিহত ওই যুবক বাড়ি উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ জেলায়। ফরিদাবাদ থেকে গ্রেফতার হন। তদন্তকারীদের দাবি ছিল, ভুয়ো পরিচয় নিয়ে ফরিদাবাদে বাস করছিলেন আব্দুল। সেখানে তিনি অটো চালাতেন। সঙ্গে একটি ছোট খাবারের দোকানও ছিল তাঁর। কী উদ্দেশ্যে রবিবার রাতে জেলের মধ্যে তাঁকে খুন করা হয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। হত্যার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ।