Indian Railway Strict Rules

দার্জিলিংমুখী ট্রেনেও কড়াকড়ি! দেশের সব সীমান্ত এলাকায় টিকিটের সঙ্গে পরিচয়পত্র যাচাই বাধ্যতামূলক: রেল

দূরপাল্লার ট্রেনে রিজ়ার্ভ (সংরক্ষিত আসন) টিকিট কাটলে পরিচয়পত্রের আসল কপি সঙ্গে রাখতে হয়। এটা রেলের পুরনো নিয়ম। তা বাধ্যতামূলক ভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৫
Share:

দূরপাল্লার ট্রেনে পরিচয়পত্রও যাচাই করবেন টিকিট পরীক্ষক। —ফাইল চিত্র।

দার্জিলিংমুখী ট্রেনে কড়াকড়ি বাড়তে পারে। রেল জানিয়েছে, এ বার থেকে দেশের সর্বত্র দূরপাল্লার ট্রেনে সংরক্ষিত আসনের যাত্রীদের পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক ভাবে যাচাই করা হবে। বিশেষ নজর দেওয়া হবে ভারত-নেপাল, ভারত-বাংলাদেশের মতো আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া এলাকা। দার্জিলিং বা উত্তরবঙ্গের যে কোনও পাহাড়ি এলাকায় যাওয়ার জন্য নিউ জলপাইগুড়ি কিংবা শিলিগুড়ি স্টেশনের ট্রেন ধরতে হয়। এই স্টেশনগুলি বাংলাদেশ এবং নেপাল উভয় সীমান্তের কাছাকাছি। ফলে এই অঞ্চলেও রেলের নিয়ম কঠোর ভাবে কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

দূরপাল্লার ট্রেনে রিজ়ার্ভ (সংরক্ষিত আসন) টিকিট কাটলে পরিচয়পত্রের আসল কপি সঙ্গে রাখতে হয়। এটা রেলের পুরনো নিয়ম। কিন্তু যাত্রীদের একাংশ বলছেন, প্রায় কোনও জায়গাতেই পরিচয়পত্র যাচাই করা হয় না। কেবল টিকিট যাচাই করে ছেড়ে দেওয়া হয়। বুধবার কেন্দ্রীয় রেলবোর্ডের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে পুরনো নিয়ম স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, নিয়ম কঠোর ভাবে মানতে হবে।

রেলের নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেনের সংরক্ষিত আসনের টিকিট কাটলেই যাত্রার সময় সঙ্গে আসল পরিচয়পত্র রাখতে হয়। একসঙ্গে একাধিক যাত্রী থাকলে যে কোনও এক জনের পরিচয়পত্র যাচাই করলেও চলে। কিন্তু তা যদি না-থাকে, তবে সকল যাত্রীকে ‘টিকিটহীন’ হিসাবে ধরে নেওয়ার কথা এবং সেই অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার কথা। এ ছাড়াও, যাঁরা বিশেষ কোনও ছাড়ে বা বিশেষ কোনও ক্যাটেগরিভুক্ত হিসাবে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট কাটেন, তাঁদের সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে হয়। তা-ও টিকিট পরীক্ষকের যাচাই করার কথা।

Advertisement

নতুন বিজ্ঞপ্তিতে রেল পুরনো এই নিয়মের কথা সকল জ়োনের আধিকারিকদের মনে করিয়ে দিয়েছে। বলা হয়েছে, সর্বত্র বাধ্যতামূলক ভাবে যাত্রীদের পরিচয়পত্র যাচাই করতে হবে। বিশেষ নজর দিতে হবে নেপাল, বাংলাদেশ-সহ আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনার অপসারণের পর নয়াদিল্লি-ঢাকা পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) প্রক্রিয়া। অভিযোগ, সীমান্তের নজরদারি এড়িয়ে অনেকে বাংলাদেশ বা নেপাল থেকে ভারতে ঢুকে পড়ছেন। তা ঠেকাতে এ বার ট্রেনেও কড়াকড়ি শুরু হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement