Bengalur Murder Case

‘পুলিশ যদি জিজ্ঞাসা করে আমি তোমার কে? বলবে, আমরা বন্ধু’! স্ত্রীকে খুনের পর প্রেমিকাকে মেসেজ চিকিৎসকের, বেঙ্গালুরুকাণ্ডে নয়া মোড়

প্রসঙ্গত, গত ২১ এপ্রিল মহেন্দ্রের স্ত্রী কৃত্তিকা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান মহেন্দ্র। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:২৭
Share:

(বাঁ দিকে) মৃত চিকিৎসক কৃত্তিকা। (ডান দিকে) চিকিৎসক মহেন্দ্র। কৃত্তিকার স্বামী। ছবি: সংগৃহীত।

বেঙ্গালুরুতে মহিলা চিকিৎসক খুনে নয়া মোড়। একটি মেসেজ এই ঘটনার রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, চিকিৎসক মহেন্দ্র রেড্ডি তাঁর চিকিৎসক স্ত্রীকে খুনের পর প্রেমিকাকে একটি মেসেজ পাঠিয়েছিলেন। সেই মেসেজ উদ্ধার করা হয়েছে। স্ত্রীকে খুনের পর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য প্রেমিকাকে মেসেজ করেন মহেন্দ্র। তাঁকে বলেন, ‘‘পুলিশ যদি তোমাকে কোনও কিছু জিজ্ঞাসা করে আমাদের সম্পর্কে, তা হলে তুমি বলবে, আমরা শুধু বন্ধু। তার বাইরে কোনও সম্পর্ক নেই।’’ আর এই মেসেজকে ঘিরেই রহস্য আরও ঘনীভূত হতে শুরু করেছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ২১ এপ্রিল মহেন্দ্রর স্ত্রী কৃত্তিকা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান মহেন্দ্র। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোয়ণা করেন। প্রাথমিক ভাবে এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে হলেও কিন্তু তদন্তকারীদের সন্দেহ হওয়ায় মহেন্দ্রকে জেরা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, মহেন্দ্র তাঁর ডাক্তারি অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করে অ্যানাস্থেসিয়া ওভারডোজ় দিয়েছিলেন স্ত্রীকে। অভিযোগ, তার জেরেই মৃত্যু হয় কৃত্তিকার।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, মহেন্দ্রের সঙ্গে হর্ষিতা নামে এক নার্সের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। কিন্তু পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মহেন্দ্রের স্ত্রী কৃত্তিকা। তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন মহেন্দ্র। তার পরই প্রেমিকাকে মেসেজ করেন। কিন্তু হোয়াট্‌সঅ্যাপ বা অন্য কোনও বহুলব্যবহৃত মাধ্যম নয়, তার পরিবর্তে ইউপিআই পেমেন্ট অ্যপ্লিকেশন ব্যবহার করেছিলেন, যাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে না আসে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল ঘেঁটে অবশেষে এই বার্তা উদ্ধার করে পুলিশ।

Advertisement

২০২৪ সালে মহেন্দ্র এবং কৃত্তিকার বিয়ে হয়। তাঁর দু’জনেই বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। কৃত্তিকাকে খুনের অভিযোগে গত বছরের অক্টোবরে মহেন্দ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement