কেন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে রণবীরকে? ছবি: সংগৃহীত।
‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্য এখনও উপভোগ করছেন তিনি। বক্সঅফিসে নজির গড়ায় চারিদিকে অভিনেতার জয়জয়কার। তবে এর মধ্যেই ভাল রকম বিপাকে পড়েছেন অভিনেতা। এফডব্লিউআইসিই (ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ়) রণবীর সিংহকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু কেন?
বিতর্কের সূত্রপাত ফরহান আখতারের ‘ডন ৩’-কে ঘিরে। এই ছবির কাজ শুরু হওয়ার পরে বেরিয়ে যান রণবীর। এমনই অভিযোগ ওঠে। তার পরেই শুরু বিতর্ক। এই বিতর্ককে কেন্দ্র করেই রণবীরকে নিষিদ্ধ করল এফডব্লিউআইসিই। ইন্ডাস্ট্রির অন্যেরা যাতে রণবীরের সঙ্গে কাজ না করেন, সেই ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছে এই সংগঠন।
ছবির চুক্তিতে সই করেছিলেন রণবীর। কিন্তু পরে বেরিয়ে যান। রণবীরের ঘনিষ্ঠ সূত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিল, সৃজনশীল মতবিরোধের জন্য এই সিদ্ধান্ত তাঁর। তার পরে ফরহান ও ছবির প্রযোজনা সংস্থার তরফ থেকে বলা হয়, ৪৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রণবীরকে। তবে রাজি হননি রণবীর। তিনি ১০ কোটি টাকা দিয়ে মিটমাট করাতে চেয়েছিলেন বলে জানা যায়। তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি মেটেনি। তাই এফডব্লিউআইসিই-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যতদিন না প্রযোজনা সংস্থাকে রণবীর ৪৫ কোটি টাকা মেটাচ্ছেন, ততদিন পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকবেন অভিনেতা। এফডব্লিউআইসিই-এর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এফডব্লিউআইসিই বিশ্বাস করে, গোটা ইন্ডাস্ট্রি একটা পরিবারের মতো কাজ করে। প্রত্যেকের ভিন্ন শিল্পসত্তা রয়েছে এবং প্রতিটি দফতর কাজ করে একটা নতুন কিছু সৃষ্টির জন্য। এই ফেডারেশনের মধ্যে রয়েছেন টেকনিশিয়ান, কর্মী, প্রযোজক, পরিচালক, সদস্য — প্রত্যেকে এই পরিবারের অংশ। প্রত্যেকে পেশাদার দায়বদ্ধতা, সম্মান বজায় রেখে একটা পরিবারের মতো কাজ করে।”
এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি রণবীর। প্রথম থেকেই তিনি এই বিষয় নিয়ে এফডব্লিউআইসিই-এর সঙ্গে আলোচনায় যেতে চাননি রণবীর। তাঁর বক্তব্য ছিল, এই আলোচনার জন্য ‘সঠিক’ সংগঠনের সঙ্গে কথা বলবেন। এমনই জানিয়েছিলেন রণবীরের ঘনিষ্ঠ সূত্র।