‘পদত্যাগ এবং কর্মহীন’।
ছোট্ট এই তিনটি শব্দ ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন তিনি। আর এই ছোট্ট পোস্টকে ঘিরেই উত্তাল হয়ে উঠল কর্নাটক।
কিন্তু আদৌ ঘটনাটি মোটেই ছোটখাটো নয়। এর পিছনে রয়েছে এক কাহিনি।
এ বছরের গোড়ার দিকে কর্নাটকের এক মন্ত্রীর ফোন কল হোল্ডে রেখে অন্য কোনও ব্যক্তির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলছিলেন মহিলা আইপিএস অনুপমা শিনয়। এর জেরে তাঁকে বদলি করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ করে ইস্তফা দিয়ে দিলেন কর্নাটকের কুড়লিগির বেল্লারি জেলার তৎকালীন ওই ডেপুটি পুলিশ সুপার।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, রাজ্যের শাসক দল কংগ্রেসের তরফে ওই পুলিশ অফিসারের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছিল। আর তার জেরেই পুলিশ কর্তার পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। বিজেপি’র পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে দুঃখজনক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কর্নাটকের বিজেপি নেতা সুরেশ কুমার বলেন, ‘‘অনুপমা তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা, কর্মপরায়ণতা এবং দক্ষতার জন্য সুপরিচিত। এবং তাঁর দায়বদ্ধতা মন্ত্রী পিটি পরমেশ্বর নায়েকের কাছে অপছন্দের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।’’
সম্প্রতি অনুপমা তাঁর ফেসবুকের পাতায় একটি পোস্ট করেছেন। আর তারপরেই সরকারকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে কর্নাটক জুড়ে। যদিও সরকারের তরফে অজুহাত খাঁড়া করা হয়েছে যে, ওই মহিলা পুলিশ অফিসার বেশ কিছুদিন ধরেই প্রশাসনিক কাজে বাধার সৃষ্টি করছিল। কিন্তু ঠিক কী কারণে তিনি ইস্তফা দিলেন সে বিষয়ে কোনও ব্যাখা দেননি অনুপমা নিজে।