Teesta and Farakka Agreement

তিস্তা-ফরাক্কা নিয়ে বক্তব্য ঋতব্রতের

তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য, ফরাক্কা চুক্তির ফলে বাংলার বহু মানুষকে সর্বস্ব খোয়াতে হয়েছে। আবার তিস্তার জলের উপর উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার জীবনযাত্রা নির্ভর করে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৫ ০৭:৫৪
Share:

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

তিস্তা এবং ফরাক্কা চুক্তি নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থানকে আজ রাজ্যসভায় তুলে ধরলেন তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রতের দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে এই দুই চুক্তি নিয়ে কোনও ধরনের আলোচনার বিরুদ্ধে জোরালো মনোভাব জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য, ফরাক্কা চুক্তির ফলে বাংলার বহু মানুষকে সর্বস্ব খোয়াতে হয়েছে। আবার তিস্তার জলের উপর উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার জীবনযাত্রা নির্ভর করে। তাই এই দুই নদী নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাংলার সঙ্গে আলোচনা করা আবশ্যক কেন্দ্রের।

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বলেন, “ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে কোনও জলচুক্তি হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় বাংলার মানুষ। গত কয়েক বছরে পূর্ব ভারতে নদীর গতিপ্রকৃতি বদলে গিয়েছে। আর সেটার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে বাংলার উপর।”

তৃণমূল সাংসদের দাবি, কলকাতা বন্দরের স্বাস্থ্যও প্রভাবিত হচ্ছে ফরাক্কার জন্য। ঋতব্রতের বক্তব্য, তিস্তার প্রবাহ গত কয়েক বছরে কমে এসেছে। এই নদীর জলেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার মানুষের পানীয় জলের চাহিদা পূরণ করা হয়। তা ছাড়া, উত্তরবঙ্গে সেচের জলও আসে তিস্তা থেকে। তাই তিস্তার জল বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া উচিত হবে না।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন