ধৃত প্রতারক

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পরিষদের সঙ্গে জালিয়াতি করে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষায় বসানোর চেষ্টার অভিযোগে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত কাল অবশ্য শিলচরের স্বামী বিবেকানন্দ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড জুনিয়র কলেজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নবারুণ পুরকায়স্থ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০১৬ ০৩:২৫
Share:

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা পরিষদের সঙ্গে জালিয়াতি করে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষায় বসানোর চেষ্টার অভিযোগে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত কাল অবশ্য শিলচরের স্বামী বিবেকানন্দ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড জুনিয়র কলেজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নবারুণ পুরকায়স্থ থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম সমীরণ চৌধুরী। স্কুল-কলেজের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না-থাকলেও পরিষদের নানা কাজ তাঁকে দিয়েই করানো হতো। দু’জনকেই আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পরিষদই স্কুলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নবারুণ পুরকায়স্থ ও তার সহযোগী সমীরণ চৌধুরীর বিরুদ্ধে শিলচর থানায় মামলা করেছিল।

তাঁদের অভিযোগ, স্বামী বিবেকানন্দ জুনিয়র কলেজ থেকে এ বার যে সব ছাত্রছাত্রীকে পরীক্ষায় বসানো হয়েছিল, তাদের অধিকাংশ ভুয়ো ছাত্রছাত্রী। অনেকে অন্যত্র একাদশ শ্রেণিতে ফেল করে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে এখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে বসতে চেয়েছিল। এমনকী, স্বামী বিবেকানন্দ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড জুনিয়র কলেজটিরও কোনও অনুমোদন নেই। পরীক্ষার্থীদের জিলকদর আলি হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের ছাত্র হিসেবে দেখানো হয়। সে জন্য জিলকদর আলি হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের অধ্যক্ষের সই-সিল জাল করা হয়। পরিষদ তাই পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড আটকে দিয়েছিল। পরে জেলাশাসকের সুপারিশে অ্যাডমিট কার্ড ছাড়াই পরীক্ষায় বসানোর ব্যবস্থা করা হয়।

Advertisement

ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাদের ফল প্রকাশ হয়নি। উত্তেজনা দেখা দিলে প্রথমে পরিষদ দশদিনের মধ্যে ফল প্রকাশের অঙ্গীকার করে। কাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সমস্ত পরীক্ষার্থীদের কাগজপত্র নিয়ে বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিষদ জানিয়েছে, যাদের কাগজপত্র ঠিক থাকবে, তাদের ফল প্রকাশ করা হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement