Faridabad Rape Case

হরিয়ানা ধর্ষণকাণ্ড: ‘রাত ৩টেয় ফোন আসে দিদির, গিয়ে দেখি রাস্তায় পড়ে, মুখ ক্ষতবিক্ষত’! আর কী বললেন নির্যাতিতার বোন

পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতা যখন অটোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন, সেই সময় দুই যুবক একটি এসইউভিতে আসেন। নির্যাতিতাকে জিজ্ঞাসা করেন কোথায় যাবেন। তার পর তাঁকে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাড়িতে তুলে নেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:০০
Share:

প্রতীকী ছবি।

হরিয়ানার ফরিদাবাদে চলন্ত গাড়িতে ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিতার বোন জানিয়েছেন, তাঁর দিদি রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে অটোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। নির্যাতিতার বোনের দাবি, সন্ধ্যাবেলায় দিদির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল তাঁর। কথা শুনে তাঁকে বেশ উদ্বিগ্ন বলে মনে হচ্ছিল। বাড়িতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে বেরিয়েছিলেন। ফোন করে তাঁকে জানান যে, বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছেন।

Advertisement

নির্যাতিতার বোন আরও জানিয়েছেন, সন্ধ্যাবেলাতেই দিদির সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল তাঁর। ভিডিয়োকলে কথা হয় দিদির সঙ্গে। তাঁর কথায়, ‘‘মায়ের সঙ্গে গত চার দিন ধরে অশান্তি হচ্ছিল দিদির। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিল ও। আমাকে বলল, বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছি। আমার মেয়ের সঙ্গেও কথা বলল। অটোর জন্য অপেক্ষা করছে, সেটাও জানাল। তার পরই ফোন কেটে গিয়েছিল।’’

নির্যাতিতার বোন জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বার ফোন আসে রাত ৩টের একটু পর। সেই ফোনেই ঘুম ভাঙে। দিদির ফোন ধরতেই তাঁর কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। সেই ফোন কেটে দিদিকেই পাল্টা ফোন করেন তিনি। তখন ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ শুনতে পান ফোনের ও পাশ থেকে। তাঁর কথায়, ‘‘দিদিকে জিজ্ঞাসা করি কী হয়েছে? কোথায় রয়েছে সে। খুব কষ্ট করে জড়িয়ে জড়িয়ে অস্পষ্ট ভাবে কথা বলছিল। শুধু জায়গার নাম বলেছিল। তার পরই দিদির বন্ধুকে ফোন করি। আমরাও ওই জায়গায় যাই।’’

Advertisement

নির্যাতিতার বোন আরও জানান, দিদির বর্ণনামতো ঘটনাস্থলে গিয়ে শিউরে উঠেছিলেন তাঁরা। দেখেন, রাস্তায় পড়ে রয়েছেন তাঁর দিদি। রক্তে ভেসে যাচ্ছে। মুখ ক্ষতবিক্ষত। প্রায় অচৈতন্য। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করতে হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতা যখন অটোর জন্য অপেক্ষা করছিলেন, সেই সময়ে দুই যুবক একটি এসইউভিতে আসেন। নির্যাতিতাকে জিজ্ঞাসা করেন, কোথায় যাবেন। তার পর তাঁকে পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাড়িতে তুলে নেন। অভিযোগ, তার পর দু’ঘণ্টা ধরে ফরিদাবাদ এবং গুরুগ্রামে ঘোরেন। আর চলন্ত গাড়িতে এক জন ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেন। তিনি চিৎকার করার চেষ্টা করেন। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। রাত ৩টের সময় রাজা চৌকের কাছে চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া হয় মহিলাকে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন মহিলা। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে গাড়িটিকেও।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement