জগদীপ ধনখড়। ফাইল চিত্র।
রাতারাতি কেন উপরাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তে হল জগদীপ ধনখড়কে, তা নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে এল। নিজের লেখা ‘আনলাইকলি প্যারাডাইস’ গ্রন্থে এই প্রসঙ্গ তুলেছেন শিবসেনা (উদ্ধবপন্থী) সাংসদ সঞ্জয় রাউত।
সঞ্জয়ের দাবি, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (ইডি) দিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল ধনখড়ের উপর। সঞ্জয়ের দাবি, জয়পুরে নিজেদের বাড়ি বিক্রির কিছু টাকা বিদেশে পাঠিয়েছিলেন ধনখড় ও তাঁর স্ত্রী। বিষয়টি নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ফাইল তৈরি করে ইডি। অন্য তদন্তকারী সংস্থাগুলিও যুক্ত হতে শুরু করে। সঞ্জয় তাঁর বইয়ে লিখেছেন, ‘মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ধনখড় স্বাধীন আচরণ করছেন বলে গুঞ্জনের মধ্যেই ইডি ওই ফাইল তুলে ধরে, পদত্যাগ করতে চাপ সৃষ্টি করে তাঁর উপর। তাতেই শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে হয় ধনখড়কে।’
প্রসঙ্গত ২০২৫-এ সঞ্জয়ের লেখা বইটি প্রথমে মরাঠি ভাষায় প্রকাশিত হয়। আজ সেটির ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশিত হল নয়াদিল্লিতে। পুস্তক প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা এবং আইনজীবী কপিল সিব্বল, তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনরা। প্রথম বইটি জেলে থাকাকালীন লেখেন সঞ্জয়। ইংরেজি সংস্করণে আরও কিছু ঘটনা যুক্ত করা হয়েছে। আর তাতেই ধনখড়কে নিয়ে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন সঞ্জয়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে