National News

সাহাবুদ্দিনের জামিন চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে নীতীশ সরকার

বিহারের কুখ্যাত মাফিয়া ডন মহম্মদ সাহাবুদ্দিনের জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল নীতীশ কুমার সরকার। নীতীশের জোটসঙ্গী লালুপ্রসাদের দল আজেডি-র নেতা সাহাবুদ্দিন গত সপ্তাহেই জামিনে মুক্তি পান দীর্ঘ ১১ বছর জেলে কাটানোর পর।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৩৫
Share:

বিহারের কুখ্যাত মাফিয়া ডন মহম্মদ সাহাবুদ্দিনের জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল নীতীশ কুমার সরকার। নীতীশের জোটসঙ্গী লালুপ্রসাদের দল আজেডি-র নেতা সাহাবুদ্দিন গত সপ্তাহেই জামিনে মুক্তি পান দীর্ঘ ১১ বছর জেলে কাটানোর পর। খুন, অপহরণ, তোলাবাজির ৪০টি মামলার আসামি তিনি। জামিনের বিরোধিতা করে শীর্ষ আদালতে গেছেন সেই ব্যবসায়ীও, যাঁর তিন ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুনের অভিযোগ আছে সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে।

Advertisement

২০০৫ সালে নীতীশ কুমার সরকারই গ্রেফতার করেছিল তত্কালীন আরজেডি সাংসদ মহম্মদ সাহাবুদ্দিনকে। ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা লালুপ্রসাদের আরজেডি-কে হারিয়ে সেই বছরই ক্ষমতায় আসেন নীতীশ। সেই থেকেই জেলে ছিলেন সাহাবুদ্দিন। ঘটনাচক্রে তাঁর দল আরজেডি-কে নির্বাচনী সঙ্গী করেই গত বছর তৃতীয় বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ।

পটনা হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে সাহাবুদ্দিন জেলের বাইরে আসার পর থেকেই নীতীশ সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে চলেছে বিজেপি। অভিযোগ, জোটসঙ্গী নেতাকে জামিন পাওয়ানোর লক্ষ্যে আদালতে কোনও জোরালো সওয়ালই করেনি সরকার পক্ষ। নীতীশের পাল্টা দাবি, এই জামিনের পিছনে সরকারের কোনও হাত নেই। বরং সরকারের দিক থেকে যা যা আইনত করার আছে সবই করা হয়েছে এবং হবে।

Advertisement

সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে নীতীশ-লালুর দ্বৈরথ নিয়েও তীব্র জল্পনা শুরু হয় বিহার রাজনীতিতে। সে জল্পনা ছড়ায় সর্বভারতীয় স্তরেও। তবে গতকাল, বৃহস্পতিবার, লালু প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন- নীতীশের সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ তৈরি হয়নি। নীতীশকেই সরকার এবং জোটের নেতা স্বীকার করে লালু বলেন, ‘সাহাবুদ্দিনকে জামিন দিয়েছে আদালত। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।’

এ সবের মধ্যেই সাহাবুদ্দিনের জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেল বিহার সরকার। একই দিনে সরকারের আগেই একই আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন সিওয়ানের ব্যবসায়ী চন্দ্রকেশ্বর প্রসাদ। চন্দ্রকেশ্বরের তিন ছেলের খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাহাবুদ্দিন। এমনকী এই তিনটির মধ্যে দু’টি খুনের এক সাক্ষীকেও পরে খুন করে ফেলা হয়। সেই খুনেও সাহাবুদ্দিনের হাত ছিল বলে অভিযোগ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement