অমেঠীর প্রাক্তন সাংসদ স্মৃতি ইরানি। —ফাইল চিত্র।
উত্তরপ্রদেশের অমেঠীর ভোটার হিসাবেই থাকছেন প্রাক্তন সাংসদ স্মৃতি ইরানি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) মাধ্যমে সেই তালিকায় তাঁর নাম যোগ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের আধিকারিক এবং স্থানীয় বিজেপি নেতাকে উদ্ধৃত করে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদসংস্থা পিটিআই।
অমেঠীর গৌরীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের মেদান মাওয়াই গ্রামের ভোটার স্মৃতি। সেখানে জমি কিনে বাড়িও বানিয়েছেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও তাঁর নাম সেখানকার ভোটার তালিকায় যোগ করা হল। বিজেপির অমেঠী জেলা সভাপতি সুধাংশু শুক্ল জানান, এর আগে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়েও ওই গ্রামের ভোটার হিসাবে নথিভুক্ত ছিল স্মৃতির নাম। সেখান থেকেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন তিনি। অমেঠীর সঙ্গে ২০১৪ সাল থেকে অনবরত জুড়ে রয়েছেন স্মৃতি, দাবি সুধাংশুর।
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠী কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন স্মৃতি। কিন্তু রাহুল গান্ধীর কাছে পরাজিত হন। তবে পরাজয় সত্ত্বেও অমেঠী ছেড়ে তিনি চলে যাননি। ২০১৯ সালে সেখান থেকেই ফের ভোটে লড়েন এবং জিতে সাংসদ হন। ২০২৪ সালে অবশ্য কংগ্রেসের কিশোরীলাল শর্মার কাছে অমেঠীতে হারেন স্মৃতি। কিন্তু তিনি সেখানকার ভোটার হয়েই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জনসংযোগও বজায় রেখেছেন অমেঠীতেই। সুধাংশুর কথায়, ‘‘এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অমেঠীর ভোটার তালিকায় নিজের নাম রেখে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত স্মৃতি নিয়েছেন, তা ওই কেন্দ্রের সঙ্গে তাঁর স্থায়ী বন্ধনেরই প্রতিফলন।’’ অমেঠীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য বলে দাবি করেছেন স্মৃতি। সেখানেই ভোট দিয়ে যাবেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, মেদান মাওয়াই কম্পোজ়িট স্কুল লীলা টিকরা মাওয়াই নির্বাচনী কেন্দ্রে মোট ৬৬৬ জন ভোটার নথিভুক্ত রয়েছেন। সেখানে ৫১৪ নম্বরে স্মৃতির নাম রয়েছে।
২০২১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গৌরীগঞ্জের গ্রামে বাড়ি তৈরির জন্য জমি কিনেছিলেন স্মৃতি। ওই বছরের ২৯ জুলাই বাড়ির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠান হয়েছে।