Gautam Adani

গুজরাত হাই কোর্টের রায়কে খারিজ সুপ্রিম কোর্টের! আদানি পাওয়ারকে শুল্ক ছাড়ের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত

বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, ২০১৫ সালের জুলাই মাসে গুজরাত হাই কোর্ট ২০০৯ সালের ২৬ জুন থেকে ২০১০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরবরাহ করা বিদ্যুতের উপর এই শুল্ক আদায়কে অবৈধ ঘোষণা করেছিল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:২৬
Share:

গৌতম আদানি। — ফাইল চিত্র।

গুজরাত হাই কোর্টের ২০১৯ সালের একটি রায় খারিজ করে আদানি গোষ্ঠীকে স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৯ সালে গুজরাত হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আদানি পাওয়ার লিমিটেডকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজ়েড) থেকে অভ্যন্তরীণ শুল্ক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের উপর কর আরোপের নির্দেশ দেওয়া হয়। সোমবার ওই রায় খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ। আদানি পাওয়ার গুজরাতের মুন্ড্রা এসইজ়েড-এ প্রায় ৫,২০০ মেগাওয়াটের একটি কয়লার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করে।

Advertisement

বিচারপতি অরবিন্দ কুমার এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ জানায়, ২০১৫ সালের জুলাই মাসে গুজরাত হাই কোর্ট ২০০৯ সালের ২৬ জুন থেকে ২০১০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরবরাহ করা বিদ্যুতের উপর এই শুল্ক আদায়কে অবৈধ ঘোষণা করেছিল। এর পর তাদের উপর কর আরোপের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে শীর্ষ আদালতের দারস্থ হয় আদানি গোষ্ঠী।

আদালত আরও জানায়, ২০১৫ সালের নভেম্বরে হাই কোর্টের ওই রায়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছিল। বেঞ্চ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, “একবার যখন ২০১৫ সালের রায়ে এই শুল্ককে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে এবং শীর্ষ আদালত তাতে হস্তক্ষেপ করেনি, তখন প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের কর্তব্য ছিল সেই ঘোষণাকে মেনে চলা।” আদালত জানায়, বিচারবিভাগীয় রায় কোনও পরামর্শমূলক মতামত নয়। এগুলি আইনের বাধ্যতামূলক আদেশ।

Advertisement

সোমবার আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্র এবং শুল্ক কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের পর ২০১০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আদানি পাওয়ারের জমা দেওয়া শুল্কের টাকা ফেরত দিতে হবে। আদালত আরও বলেছে, ২০১৯ সালে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের উচিত ছিল ২০১৫ সালের রায়কে অনুসরণ করা অথবা বিষয়টি বড় বেঞ্চে পাঠানো। বেঞ্চ ঘোষণা করেছে যে, সংশ্লিষ্ট সময়ে আদানি পাওয়ারের ওপর ওই শুল্ক আরোপ কোনও আইনি ভিত্তি ছিল না। আদানি পাওয়ারের থেকে আর কোনও শুল্ক দাবি করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement