10 Minutes Delivery

ব্লিঙ্কইট-এর পথ অনুসরণ করল বাকি ই-কমার্স সংস্থা জ়েপ্টো, সুইগি এবং ফ্লিপকার্ট! দাবি বিজ্ঞাপন বাতিলের

এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি ব্লিঙ্কইট, জ়েপটো, জ়োম্যাটোর মতো ই-কমার্স সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডবীয়। ওই বৈঠকেই তিনি ১০ মিনিটে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার যে দাবি করে থাকে এই সংস্থাগুলি, তা নিয়ে আপত্তি জানান।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:৩০
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

এ বার ব্লিঙ্কইট-এর পথে হাঁটল বাকি ই-কমার্স সংস্থা জ়েপ্টো, সুইগি এব‌ং ফ্লিপকার্ট। তাদের দাবি, এ বার থেকে আর ১০ মিনিটের মধ্যে জরুরি পণ্য বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিজ্ঞাপন দেবে না! কেন্দ্রের আপত্তি এবং গিগ কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ই-কমার্স সংস্থাগুলি।

Advertisement

এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, সম্প্রতি ব্লিঙ্কইট, জ়েপটো, জ়োম্যাটোর মতো ই-কমার্স সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডবীয়। ওই বৈঠকেই তিনি ১০ মিনিটে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার যে দাবি করে থাকে এই সংস্থাগুলি, তা নিয়ে আপত্তি জানান। এই দাবি সংবলিত বিজ্ঞাপন বন্ধ করারও ‘পরামর্শ’ দেন তিনি। তবে কেন্দ্রের তরফে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে লিখিত কোনও নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি।

সরকারি নির্দেশিকা না-থাকলেও মন্ত্রীর ‘পরামর্শ’ মেনে ১০ মিনিটে ডেলিভারির দাবি সংবলিত বিজ্ঞাপন না-দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রথমে নেয় ব্লিঙ্কইট। এর পর বৈঠকে অংশ নেওয়া অন্য ই-কমার্স সংস্থাগুলিও জ়েপ্টো, সুইগি এব‌ং ফ্লিপকার্ট এই পথ অনুসরণ করে। জানা গিয়েছে, নিজেদের কোনও বিজ্ঞাপনে আর ১০ মিনিটে পণ্য ডেলিভারি করার দাবি করবে না ব্লিঙ্কইট।

Advertisement

গিগ কর্মীদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্লিঙ্কইট-সহ বাকি ই-কমার্স সংস্থাগুলি। অনেক সময়েই দ্রুত পণ্য ডেলিভারি করার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্রুত গতিতে বাইক ছোটান গিগ কর্মীরা। এর ফলে অনেক সময়েই দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও সরব হয়েছিলেন বেশ কয়েক জন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম অরবিন্দ কেজরীওয়ালের দলের (আপ) রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চড্‌ঢা।

প্রসঙ্গত, মজুরি বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষার মতো অধিকারের দাবিতে গত ২৫ ডিসেম্বর এবং ১ জানুয়ারি দেশ জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন গিগ কর্মীরা। তবে সেই ধর্মঘটের তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ‘পরামর্শের’ নেপথ্যে এই ধর্মঘটের একটা প্রভাব থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement