— প্রতীকী চিত্র।
গত বছর নভেম্বর মাসে পাকিস্তানে তীর্থে গিয়ে লাহোরের শেখপুরার বাসিন্দা নাসির হুসেনকে বিয়ে করেন পঞ্জাবের সর্বজিৎ কৌর। বুধবার ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে লাহোরের একটি সরকার পরিচালিত আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
গত ৪ নভেম্বর গুরু নানকের ৫৫৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ২০০০ পুণ্যার্থী ওয়াঘা-অটারি সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে নানকানা সাহিব তীর্থস্থানে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সর্বজিৎও। ১৩ নভেম্বর বাকি সব পুণ্যার্থী দেশে ফিরলেও ফেরেননি সর্বজিৎ। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে শোরগোল শুরু হয়। তদন্তে নামে দুই দেশের পুলিশ।
পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৫ নভেম্বর সর্বজিৎ শেখপুরার বাসিন্দা নাসিরকে বিয়ে করেন। বিয়ের জন্য ধর্মান্তরিতও হন তিনি। সর্বজিৎ তাঁর নাম পরিবর্তন করে রাখেন নূর। এর পরেই শুরু হয় আইনি জটিলতা। পুলিশ ওই নবদম্পতির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিয়ে ভাঙার জন্য চাপ দেয়। এমনই অভিযোগ করে লাহোর হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। বিচারপতি ফারুক হায়দার ওই যুগলকে হেনস্থা না করার নির্দেশ দিলেও তাঁদের আটক করে পুলিশ।
পিটিআই সূত্রে খবর, বর্তমানে সর্বজিৎকে গ্রেফতার করে লাহোরের সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে আছেন তাঁর স্বামী নাসির। জানা গিয়েছে, পঞ্জাব সরকার সর্বজিৎকে ভারতে ফেরত আনতে চাইলেও ওয়াঘা-অটারি সীমান্ত বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
সর্বজিৎ অবশ্য একটি ভিডিয়োয় বলেন, তিনি স্বেচ্ছায় নাসিরকে বিয়ে করেছেন এবং পাকিস্তানি নাগরিকত্বের জন্য আবেদনও করেছেন। এমনকি ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনও জানিয়েছেন।
পঞ্জাবের কপূরথালার আমানিপুর গ্রামের বাসিন্দা সর্বজিৎ। তাঁর দুই সন্তান রয়েছে। বেশ কয়েক বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁর।