Ghaziabad Triple Suicide Case

বাবার তিন বিয়ে, তিন স্ত্রীই সহোদর! ১০ বছর আগে লিভ- ইন সঙ্গীর রহস্যমৃত্যু, গাজ়িয়াবাদ কাণ্ডে নয়া মোড়

সূত্রের খবর, তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমারের তিনটি বিয়ে। শুধু তা-ই নয়, এক লিভ ইন সঙ্গীও ছিল তাঁর। যদিও ২০১৫ সালে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয় তাঁর। রাজেন্দ্রনগরের একটি আবাসনের ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল চেতনের লিভ ইন সঙ্গীর।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:২৮
Share:

গাজ়িয়াবাদকাণ্ডে আরও ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

উত্তরপ্রদেশে গাজ়িয়াবাদে তিন বোনের রহস্যমৃত্যুর তদন্তে নেমে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল পুলিশ। সূত্রের খবর, তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমারের তিনটি বিয়ে। শুধু তা-ই নয়, এক লিভ ইন সঙ্গীও ছিল তাঁর। যদিও ২০১৫ সালে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয় তাঁর। রাজেন্দ্রনগরের একটি আবাসনের ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল চেতনের লিভ ইন সঙ্গীর। যদিও কোনও প্রমাণ না পেয়ে পুলিশ সেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসাবেই উল্লেখ করেছিল।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, লিভ ইন সঙ্গীর মৃত্যুর পর তিন মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন চেতন। তাঁরা সহোদরা। প্রথম স্ত্রী সুজাতা, দ্বিতীয় স্ত্রী হিনা এবং তৃতীয় স্ত্রী টিনা। সুজাতার কন্যার নাম নিশিকা। হিনার দুই কন্যা— প্রাচী এবং পাখি। চেতন শেয়ার লেনদেন সংক্রান্ত কাজ কাজ করেন। দু’কোটি টাকা দেনা রয়েছে তাঁর। ফলে পরিবারে আর্থিক অনটন চলছিলই। তার জেরে কি সন্তানদের থেকে ক্রমশ দূরত্ব বেড়েছিল অভিভাবকদের? সেটাই জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তিন মায়ের সঙ্গে কন্যাদের সম্পর্ক খুব একটা ভাল ছিল না বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে তাঁরা জানতে পেরেছেন, কিশোরীরা বেশির ভাগ সময় কাটাতেন বাবার সঙ্গেই। এই সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়েছে সুইসাইড নোটে তিন মায়ের কারও নাম উল্লেখ না থাকায়। সেখানে পুরোটাই বাবার উদ্দেশে লেখা। পুলিশ জানিয়েছে, ঘর থেকে যে ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে, সেখানে কোরীয় সংস্কৃতির প্রতি আকর্ষণ, ভালবাসা এবং ভাললাগার কথা উল্লেখ করা রয়েছে। একই সঙ্গে, পারিবারিক বিবাদের কথাও উল্লেখ রয়েছে। এখান থেকেই তদন্ত মোড় নিতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement