Masood Azhar

দিল্লি বিস্ফোরণে জইশ-যোগের উল্লেখ, মাসুদ এ বার মহিলাদের নিয়ে বানাচ্ছেন নতুন জঙ্গিবাহিনী! রিপোর্ট রাষ্ট্রপুঞ্জের

নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশন মনিটরিং টিম’ সম্প্রতি একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ২৬ পাতার ওই রিপোর্টে রয়েছে লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণে ১৫ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গও।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৪
Share:

গত বছরের নভেম্বরে দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। —ফাইল চিত্র।

লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণে পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের যোগের কথা উল্লেখ করল রাষ্ট্রপুঞ্জ। নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে জইশ-যোগের কথা বলা হয়েছে। জইশপ্রধান মাসুদ আজহার শুধুমাত্র মহিলা জঙ্গিদের নিয়ে একটি শাখা সংগঠন তৈরি করেছেন বলেও জানানো হয়েছে রিপোর্টে।

Advertisement

দিল্লি বিস্ফোরণে যে জইশের যোগ থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা আগেই উঠে এসেছিল। বিস্ফোরণের পর ধরপাকড়ের সময়ে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে তদন্তকারীদের হাতে ধরা পড়েছিলেন তুফাইল নিয়াজ় ভাট নামে এক সন্দেহভাজন। তুফাইলের সঙ্গে জইশের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছিলেন তদন্তকারীরা। লালকেল্লার কাছে ওই বিস্ফোরণে জঙ্গিদের ফরিদাবাদ ‘মডিউল’-এর কথা উঠে এসেছিল। ওই ‘মডিউল’-এর ধৃতদের মধ্যে প্রথম গ্রেফতার হন কাশ্মীরের অনন্তনাগের বাসিন্দা চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাথর। তিনিও শ্রীনগরে জইশের পোস্টার সাঁটানোর সময়ে ধরা পড়েছিলেন।

এ বার রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টেও উল্লেখ করা হল দিল্লি বিস্ফোরণে জইশ-যোগের প্রসঙ্গ। নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশন মনিটরিং টিম’ সম্প্রতি একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ২৬ পাতার ওই রিপোর্টে রয়েছে লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণে ১৫ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গও। রিপোর্টে বলা হয়েছে, “এক সদস্য রাষ্ট্র জানিয়েছে যে বিভিন্ন নাশকতায় জইশ-ই-মহম্মদ দায়স্বীকার করেছে। ৯ নভেম্বর নয়াদিল্লির লালকেল্লার কাছে নাশকতাতেও তাদের যোগ ছিল বলে জানা যাচ্ছে।”

Advertisement

জইশের বিষয়ে রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি জইশপ্রধান মহম্মদ মাসুদ আজহার আনুষ্ঠানিক ভাবে একটি নতুন শাখা সংগঠনের কথা ঘোষণা করেছেন। শুধু মহিলাদের নিয়ে তৈরি এই জঙ্গিবাহিনীর কাজ বিভিন্ন নাশকতায় সাহায্য করা। মহিলাদের নিয়ে তৈরি ওই জঙ্গিবাহিনীর নাম দেওয়া হয়েছে জামাত উল-মুমিনাত। রিপোর্টে একই সঙ্গে এ-ও উল্লেখ করা হয়েছে, “অপর এক সদস্য রাষ্ট্র জানিয়েছে, জইশ-ই-মহম্মদ বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছে।”

বস্তুত, জইশ হল পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠী। ভারতে বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপে অতীতে জইশের যোগের অভিযোগ উঠে এসেছে। ভারত এবং পাকিস্তান উভয়েই রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার সদস্য। তবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের তালিকায় নেই ভারত বা পাকিস্তান। যদিও পর্যায়ক্রমিক অস্থায়ী সদস্যের তালিকায় বর্তমানে পাকিস্তান রয়েছে, অতীতে ভারতও ছিল। তবে কোন দুই সদস্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে এই তথ্যগুলি মিলেছে, তা প্রকাশ করা হয়নি নিরাপত্তা পরিষদের রিপোর্টে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement