বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রী। — ফাইল চিত্র।
আগামী মাসে নেপাল সফরে যেতে পারেন বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রী। এ বছর মার্চ মাসে বলেন্দ্র শাহের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পরে এই প্রথম কোনও উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক সফর হতে চলেছে দু’দেশের মধ্যে। নেপালের বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও এই খবরে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। তবে মিস্রীর সফরের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্রের খবর, ভারত-নেপাল যৌথ প্রকল্পগুলি মিস্রীর সফরের আলোচ্যসূচিতে অগ্রাধিকার পেতে চলেছে। এর আগে এপ্রিলের গোড়ায় মরিশাসে ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স-এর পার্শ্ববৈঠকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নেপালের নতুন সরকারের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে দেখা করেন। পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়। সেই বৈঠকেই মিস্রীকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। বলেন্দ্র ক্ষমতায় আসার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁকে নয়াদিল্লি আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। মিস্রীর সফরে এই বিষয়টি নিয়েও কথাবার্তা হবে বলে জানা গিয়েছে।
কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য, চিন এবং আমেরিকা পৃথক পৃথক ভাবে বলেন্দ্র শাহ সরকারের উপর প্রভাব তৈরি করতে সক্রিয় হওয়ায় নড়ে বসেছে নয়াদিল্লি। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের কর্তা চাও জিং নেপালের নতুন বিদেশসচিব অমৃত বাহাদুর রাইয়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। আবার আমেরিকার বিদেশ দফতরের কর্তা সমীর পল কপূর নেপালের বিদেশমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দু’পক্ষই সে দেশে বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে