Stray Dogs Case in Supreme Court

পথকুকুর মামলায় দু’মাসেও হলফনামা জমা পড়েনি! বাংলা, দিল্লি, তেলঙ্গানা ছাড়া সব রাজ্যকে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

গত ২২ অগস্ট দিল্লির পথকুকুর সংক্রান্ত মামলায় সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে যুক্ত করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়েছিল, সঠিক পদ্ধতিতে পথকুকুরদের বন্ধ্যাত্বকরণ এবং প্রতিষেধক দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৪৯
Share:

দিল্লির পথকুকুরদের মামলায় সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে যুক্ত করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। —ফাইল চিত্র।

পথকুকুরদের মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল গত অগস্টে। তার পর দু’মাস কেটে গিয়েছে। এখনও অধিকাংশ রাজ্য থেকে কোনও হলফনামা জমা দেওয়া হয়নি শীর্ষ আদালতে। সোমবার সেই সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। মুখ্যসচিবদের সশরীরে হাজিরা দিয়ে আগামী ৩ নভেম্বর আদালতকে এর জবাবদিহি করতে হবে।

Advertisement

গত ২২ অগস্ট দিল্লির পথকুকুর সংক্রান্ত মামলায় সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে যুক্ত করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়েছিল, পথকুকুরদের রাস্তা থেকে নির্দিষ্ট আশ্রয়ে তুলে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে তাদের সঠিক পদ্ধতিতে বন্ধ্যাত্বকরণ এবং প্রতিষেধক দেওয়ার কাজ করতে হবে। তার পর আবার যেখান থেকে কুকুরদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানে ফিরিয়ে দিয়ে যেতে হবে। সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এই সংক্রান্ত হলফনামা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা এবং দিল্লি সরকার ছাড়া আর কেউ তা করেনি বলে অভিযোগ।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এনভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে সোমবার পথকুকুর সংক্রান্ত মামলাটি উঠেছিল। যে সমস্ত রাজ্য এ বিষয়ে নীরব থেকেছে, তাদের ভর্ৎসনা করে আদালতের মন্তব্য, ‘‘এখনও পর্যন্ত কোনও রাজ্য সরকার জবাব দিল না! আন্তর্জাতিক স্তরে আপনাদের দেশের ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে। দু’মাস দেওয়া হয়েছে। তা-ও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।’’

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানার সরকার এবং দিল্লি পুরসভা হলফনামা জমা দিলেও তা নথিভুক্ত হয়নি বলে খবর। কারণ দীপাবলির ছুটি চলাকালীন ওই হলফনামা জমা পড়েছে।

দিল্লিতে একের পর এক পথকুকুরের কামড়ের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছিল। এই পরিস্থিতিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা শোনে সুপ্রিম কোর্ট। প্রথমে দিল্লির রাস্তা থেকে সমস্ত পথকুকুরকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। পরে তা পরিবর্তন করে বন্ধ্যাত্বকরণে জোর দেওয়া হয়। ৩ নভেম্বর রাজ্যগুলিকে এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement