CJM transfer in UP

সিজেএমের বদলি ঘিরে বিতর্কে যোগী সরকার

যেহেতু সিজেএম বিভাংশু সুধীর পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেই অপরাধে তাঁকে সম্ভলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগী প্রশাসন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৫
Share:

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ফাইল চিত্র।

বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা নিয়ে কংগ্রেসের প্রশ্নের মুখে পড়লেন যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন।

২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে উত্তরপ্রদেশের সম্ভল হিংসা মামলায় এক যুবককে গুলি করে হত্যার ঘটনায় তৎকালীন সার্কল অফিসার অনুজ চৌধুরী এবং থানার ওসির বিরুদ্ধে গত ৯ জানুয়ারি এফআইকরার নির্দেশ দিয়েছিলেন সম্ভলের মুখ্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) বিভাংশু সুধীর। সেই অপরাধে চলতি সপ্তাহে তাঁকে বদলি করা হয়েছে, এই অভিযোগে সরব হলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেসের অভিযোগ, এই ঘটনা বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতায় নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ।

আজ সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস নেতা পবন খেরা অভিযোগ করেন, যেহেতু সিজেএম বিভাংশু সুধীর পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেই অপরাধে তাঁকে সম্ভলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যোগী প্রশাসন। পরিবর্তে এমন এক ব্যক্তিকে সেখানে বসানোর চেষ্টা করা হয় যিনি জামা মসজিদের সমীক্ষা করার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যা সম্ভলের হিংসার পিছনে মূল কারণ। খেরার দাবি, ‘‘যদিও জনগণের বিক্ষোভের জেরে ওই নিয়োগ বাতিল করে দেওয়া হয় কিন্তু এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে, বিচারবিভাগকে নিয়ন্ত্রণের অস্ত্র হিসেবে বদলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আসল লক্ষ্য হল বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করে সেটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ ভাবে সরকার তথা শাসক দলের নিয়ন্ত্রণে রাখা।’’

গত বছরের সেপ্টেম্বরেই আগরা সার্কল থেকে সম্ভলে বদলি করা হয়েছিল বিভাংশু সুধীরকে। গত ৯ জানুয়ারি সম্ভল হিংসার মামলায় পুলিশের পদস্থ কর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার নির্দেশ দেন তিনি।

খেরার অভিযোগ, সেই অভিযোগ দায়ের করার পরিবর্তে বিভাংশুর যাতে বদলি হয় তা নিশ্চিত করতে তৎপর হয় বিজেপি। বিভাংশু সুধীরের সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা চেয়ে এলাহাবাদ আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য প্রশাসন। খেরা বলেন, ‘‘বিভাংশুর বদলির মাধ্যমে আসলে যোগী প্রশাসন বার্তা দিতে চেয়েছে যে যদি বিজেপির পুলিশের বিরুদ্ধে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তা হলে সেই বিচারককেও ফল ভোগ করতে হবে।’’ ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট ও এলাহাবাদ হাইকোর্ট যাতে স্বতঃস্ফূর্ত পদক্ষেপ করে, সেই আবেদনও জানিয়েছেন খেরা। তাঁর কথায়, ‘‘বিভাংশু সুধীরের আচমকা ওই বদলি কোনও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি বিচারবিভাগের মতো প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা খর্ব করার প্রশ্নে পরিকল্পিত আক্রমণ।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন