কলেজের অধ্যক্ষ তাঁর বাবা। সেখানে এক অনুষ্ঠানে তাঁকে গান গাইতে না দেওয়ায় ঝামেলা বাঁধল করিমগঞ্জ মহিলা কলেজে। গত রাতের ওই ঘটনার জেরে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ, অধ্যক্ষের ছেলেকে গান গাইতে না দিলে ছাত্রীদের কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
করিমগঞ্জ শহরের একমাত্র মহিলা কলেজ রবীন্দ্র সদন। অন্যান্য বছরের মতো এ বারও সেখানে বার্ষিক উৎসব শুরু হয়। তার আগে থেকেই সেখানে অধ্যক্ষের ছেলের অনুষ্ঠান নিয়ে বিতর্ক চলছিল। কলেজ সূত্রে খবর, গত সন্ধেয় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পরই বার্ষিক উৎসবের আয়োজকদের কাছে গিয়ে গান গাওয়ার কথা জানান অধ্যক্ষ অশোক দাসের ছেলে সাহেব। আয়োজকরা জানিয়ে দেন, গ্রাম-গ্রামান্তর থেকে যে সব ছাত্রী এসেছেন, তাঁদের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরই সাহেব গান গাইতে পারবেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বছর তিরিশের ওই তরুণ। অভিযোগ, তিনি ছাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। হুমকি দেন, তাঁকে গান গাইতে না দেওয়ার জন্য শাস্তির মুখে পড়বেন ছাত্রীরা। তাঁর বাবার কাছে অভিযোগ করে ছাত্রীদের কলেজ থেকে বের করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেয়। এ নিয়ে কলেজ চত্বরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছয়। পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে সাহেব ছাত্রীদের সামনে ক্ষমা চাইলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
করিমগঞ্জ রবীন্দ্র সদন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অশোক দাস অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘গান গাইতে চাওয়া অপরাধ নয়। এ নিয়ে ছাত্রীদের সঙ্গে আমার ছেলের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। পরে সব মিটে গিয়েছে।’’