প্রতি মাসে বেতন নিচ্ছেন, কিন্তু ক্লাস করাচ্ছেন না অধ্যাপকরা— করিমগঞ্জ কলেজের প্রাতর্বিভাগের পড়ুয়াদের অভিযোগ এমনই।
করিমগঞ্জ কলেজ জেলার কলেজগুলির মধ্যে অন্যতম। শহরতলি বা গ্রাম তো বটেই, পড়শি ত্রিপুরা থেকেও অনেকে সেখানে পড়াশোনা করতে আসেন। ত্রিপুরার সরকারি কলেজগুলিতে শিক্ষার মাধ্যম বাংলা। বরাক উপত্যকার সরকারি কলেজগুলিতে তা ইংরেজি। ভবিষ্যতের কথা ভেবে ত্রিপুরার পড়ুয়াদের একাংশ তাই ভর্তি হন বরাকের করিমগঞ্জ কলেজেও।
ওই কলেজে পড়ুয়াদের ভিড়ের দিকে তাকিয়ে প্রাতর্বিভাগ চালু করে অসম সরকার। কলেজ সূত্রে খবর, কলা বিভাগে ১৬৬ জন ও বাণিজ্য শাখায় প্রায় ৭০ জন ছাত্র-ছাত্রী সকালের পাঠ্যক্রমে ভর্তি হন। তাঁদের অভিযোগ, প্রথম দিকে অধ্যাপকরা ক্লাস করতে এলেও, বর্তমানে কেউ পড়াতে আসছেন না। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, সকালে তিন ঘণ্টা অতিরিক্ত পড়ানোর জন্য অধ্যাপক এবং সহকারী অধ্যাপকরা সাম্মানিক পাচ্ছেন। মাসের শেষে টাকা নিয়েও যাচ্ছেন তাঁরা। প্রাতর্বিভাগের দু’জন করণিককেও সাম্মানিক দেওয়া হচ্ছে। করিমগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এ বিষয়ে জানান, এ কথা তাঁর জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে দেখবেন।