সিবিআইয়ের মতে আত্মহত্যাই করেছেন বলিউড অভিনেত্রী জিয়া খান। তবে আদিত্য পাঞ্চোলির ছেলে অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও তথ্য গোপনের অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার ওই মামলায় সুরজের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। গত বছর বম্বে হাইকোর্ট সিবিআইয়ের হাতে এই মামলার তদন্তভার তুলে দেয়। দায়রা আদালত ১৫ দিন আগে সিবিআইকে ওই চার্জশিট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিল।
২০১৩-র ৩ জুন জুহুর আবাসনে গলায় দড়ি দেওয়া জিয়ার দেহ মেলে। জিয়ার মা রাবিয়ার অভিযোগ ও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তিন পাতার চিঠির উপর ভিত্তি করে জিয়ার প্রেমিক সুরজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই চিঠিতে সুরজের সঙ্গে জিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উল্লেখ ছিল। সুরজ এখন জামিনে রয়েছেন। কিছু দিন আগেই মুক্তি পেয়েছে তাঁর প্রথম ছবি ‘হিরো’।
বুধবার চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, তদন্তের সময় সিবিআইয়ের কাছে তথ্য গোপন করেছেন সুরজ। এমন কী সিবিআইকে বিভ্রান্তও করেছেন তিনি। ওই চার্জশিট অনুযায়ী, জিয়াকে লুকিয়ে তাঁরই এক বান্ধবীর সঙ্গে মেলামেশা করছিলেন সুরজ। সে নিয়েই দু’জনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। ঘটনার আগে দু’দিন সুরজের সঙ্গেই তাঁর আবাসনে ছিলেন জিয়া। ঘটনার দিন সকালে অশান্তির জেরে সুরজের আবাসন থেকে চলে আসেন অভিনেত্রী। তাঁদের মধ্যে উত্তপ্ত এসএমএস চালাচালিও হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই।
তবে সুরজের বিরুদ্ধে জিয়াকে সরাসরি খুনের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। আত্মহত্যাই করেছেন জিয়া। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া চিঠি ও অন্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সুরজের বিরুদ্ধে জিয়াকে শারীরিক নিগ্রহ ও মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ এনেছে সিবিআই। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিয়ার ওই চিঠিই প্রমাণ
করছে সে সময় মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত ছিলেন জিয়া। যার জেরেই এই চরম পদক্ষেপ।