জমি হারিয়ে ক্ষুব্ধ করিমগঞ্জ

জমির পাট্টা, খাজনা জমার রসিদ সবই রয়েছে। কিন্তু তাতেও জমি হারালেন করিমগঞ্জের লাঠিটিলা-ডুমাবাড়ি, মদনপুরের বাসিন্দাদের। আজ বাংলাদেশের ঢাকায় আনুষ্ঠানিক ভাবে জমির মানচিত্র হস্তান্তর করা হয়। তাতেই সরকারি ভাবে ছিটমহল হস্তান্তর হল।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ অগস্ট ২০১৫ ০৪:১১
Share:

জমির পাট্টা, খাজনা জমার রসিদ সবই রয়েছে। কিন্তু তাতেও জমি হারালেন করিমগঞ্জের লাঠিটিলা-ডুমাবাড়ি, মদনপুরের বাসিন্দাদের। আজ বাংলাদেশের ঢাকায় আনুষ্ঠানিক ভাবে জমির মানচিত্র হস্তান্তর করা হয়। তাতেই সরকারি ভাবে ছিটমহল হস্তান্তর হল। অসমের করিমগঞ্জে পুতনিবাগানের ২১টি পরিবার নিজেদের জমি হারালেন। জমি হস্তান্তরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছিলেন রামপ্রসাদ ভর, রঘুবীর কৈরি, দেবনারায়ণ চৌহান, সীতারাম গোয়ালা, মঙ্গলি রায়, রামবরণ গোয়ালা, দশরথ গোয়ালা। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি।

Advertisement

অভিযোগ, লাঠিটিলা-ডুমাবাড়ি, মদনপুরের জমি মালিকদের চিঠি পাঠানো দূর, সরকারি ভাবে মৌখিক ভাবেও জমি হস্তান্তরের বিষয়ে জানানো হয়নি। সেখানকার জমি মালিকদের বক্তব্য, ২০১১ সাল পর্যন্ত তাঁরা পাথারকান্দি সার্কেল অফিসে জমির খাজনা জমা দিয়েছেন। করিমগঞ্জের জেলাশাসক সঞ্জীব গোঁহাই বরুয়া এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। করিমগঞ্জ জেলার কতটা জমি বাংলাদেশের হাতে যাচ্ছে, তা জানা যায়নি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement