ত্রীড়াবিদদের সাফল্যে বিব্রত মণিপুর সরকার

বেশি সাফল্যই মণিপুরে ক্রীড়াবিদদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলছে। মণিপুরের ক্রীড়াবিদরা গত ক’বছরে দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এত সোনা ও রুপোর পদক জিতেছেন, যে সকলকে চাকরি দিতে গিয়ে নাজেহাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের ক্রীড়াবিদদের উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছিল, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখালেই তাঁদের সরকারি চাকরি দেওয়া হবে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০১৪ ০৮:৪৬
Share:

বেশি সাফল্যই মণিপুরে ক্রীড়াবিদদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলছে। মণিপুরের ক্রীড়াবিদরা গত ক’বছরে দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এত সোনা ও রুপোর পদক জিতেছেন, যে সকলকে চাকরি দিতে গিয়ে নাজেহাল রাজ্য সরকার। রাজ্যের ক্রীড়াবিদদের উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছিল, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখালেই তাঁদের সরকারি চাকরি দেওয়া হবে।

Advertisement

গত কয়েক বছরের মধ্যে রাজ্যের ক্রীড়াবিদরা বক্সিং, তীরন্দাজি, পর্বতারোহণ, ক্যারাটে-সহ বিভিন্ন খেলায় এমন সাফল্য দেখিয়েছেন যে এত খেলোয়াড়কে দেওয়ার জন্য আর চাকরি নেই। খোদ মেরি কমকে ৪ বছর অপেক্ষার পরে পদোন্নতি দিতে পেরেছে। এখন তিনি এসপি। আজ বিধানসভায় মহিলা ফুটবলার তথা পুলিশের হাবিলদার ও বেমবেমের পদোন্নতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল বিধায়ক আই ইবোহালবি সিংহ। তার জবাব দিতে গিয়েই দুঃখ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী তথা ক্রীড়ামন্ত্রী ওক্রাম ইবোবি সিংহ বিধানসভায় বলেন, “অন্য পদক ছেড়েই দিলাম, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ১২০টি সোনার পদক পেয়েছেন মণিপুরের খেলোয়াররা। স্বর্ণপদক প্রাপকদেরই দেওয়ার জন্য চাকরি হাতে নেই। নতুন পদ সৃষ্টির জন্য কোষাগারে পর্যাপ্ত অর্থও নেই। এক দিকে যেমন গর্বের বিষয়, তেমনই প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারার জন্য দুঃখিত।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, অন্যান্য রাজ্যে জাতীয় পর্যায়ে সোনা পেলেই সোজা ইনস্পেক্টর পদে বহাল হন। কিন্তু মণিপুরে পরিস্থিতি ভিন্ন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement