চার দশক হতে চলল এ শহরে। উত্সবে-ব্যসনে-নাচে-গানে এবং হুল্লোড়বাজি করে হই-হই আনন্দ রসের সোয়াদ নেওয়া হয়েছে এত কাল। এ বার অন্য স্বাদের সন্ধানে রাত্রি-জাগরণ। লোখন্ডওয়ালার আট-দশ জন বাসিন্দা যে যার নিজের ঘরে রাত্রের আহার সেরে রওয়ানা দিলুম রাত সাড়ে ন’টায়। হাঁটতে হাঁটতে চার বাংলা হয়ে জুহু সার্কেলে পৌঁছলুম তখন সাড়ে দশটা। দোকান-পাট ধীরে ধীরে বন্ধ হচ্ছে। রাস্তায় ট্যাক্সি-গাড়ি-বাসের ভিড় কমে আসছে ক্রমশ। আরও প্রায় কুড়ি পঁচিশ মিনিট পরে পৌঁছলুম আন্দেরি-কুর্লা উড়াল পুলের মোড়ে, স্বামী বিবেকানন্দ রোডে। আরও কয়েকটি ছোট ছোট দলের মানুষ-মানুষির সঙ্গে দেখা হল। এঁরা আসছেন বোরিভিল, কান্দিভিল —এমনকী দহিসারের মতোন দূরত্ব থেকে। তা, এখান থেকে কমপক্ষে বারো চোদ্দো কিলোমিটার তো হবেই। ছোট ছোট আট দশ জন বা চোদ্দো পনেরো জনের এক একটি দল — মোটমাট পাঁচ-সাতশো পথযাত্রী চলেছেন। কোথায়? না, ধর্ম পালন করতে। বিশ্বাস-ভক্তি-আচার হিসেবে মহা জাগ্রত মন্দিরে। রাত সাড়ে এগারোটা। ভিলে পার্লার গায়ে ইরলা। জুহু এলাকায় পৌঁছে একটু দম ফেলে সবাই। অনেকটা বাস বা ট্রাম স্টপের মতো। ফুটপাথে কর্পোরেশনের আলোর নীচে দু’তিনটি টেবিল একসঙ্গে লম্বালম্বি সার দিয়ে রাখা। এখানে কয়েক জন খাবারের জল পরিবেশন করছেন। হয়তো পুণ্যার্থীদের তৃষ্ণা মেটাবার ব্যবস্থা করছেন কোনও সেবা সঙ্ঘ। শুধু জল নয়, চা এবং লাড্ডু দিচ্ছেন জনে জনে।
আবার হাঁটা। বিবেকানন্দ রোড ধরে সোজা এগিয়ে চলেছি। চারপাশ ক্রমশ নিঝুম হয়ে এসেছে। শহরের রাত পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়েছে অথবা ‘কাল সকালে আবার আপিস যেতে হবে—ঘানি টানতে’, ভাবতে ভাবতে ঘুমের আয়োজন করছে বাড়ি-ঘরের দরজা জানালা সব বন্ধ করে, আলো নিভিয়ে। সিমেন্টের রাস্তা দিয়ে হাঁটছি, হাঁটছি। দু’ ধারের মস্ত মস্ত দালান- বাড়িগুলো ভূতের মতো, পাহাড়ের সারির মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে।
মনে মনে ঝিঁঝি পোকার ডাক শুনতে পেলুম। সেই সঙ্গে যেন খরস্রোতা মন্দাকিনী নদী পাহাড়ের সারির ও পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে বলে মনে হল। ফিসফিস শব্দে নুড়ি ও খুদে পাথরগুলো কথা বলতে বলতে নীচের দিকে নেমে যাচ্ছে তার বোন অলকানন্দার সঙ্গে দেখা হবে বলে, মিলন হবে বলে।.....
‘কুণ্ডচটি’ থেকে হাঁটা শুরু হয়েছিল। সে তো সত্যিই সত্যিই ‘মহাপ্রস্থানের পথে’। আজকের এই শহরের মতো এমন শান বাঁধানো রাস্তার নাম-লেশ-গন্ধ ছিল না। ছিল বন্ধুর পথ, নুড়ি পাথরে ভর্তি। কত চড়াই-উতরাই। এক পাশে খাড়া দেওয়ালের পাথরের চাঁই এবড়ো খেবড়ো হয়ে বেরিয়ে রয়েছে। অন্য পাশে গভীর অতল খাদ—কয়েক হাজার ফুট নীচে কোথায় যে মন্দাকিনী বয়ে চলেছে কে জানে—তার চলার শব্দ অ্যাতো দূর পৌঁছয় না। দুই মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে কোথাও চওড়া কোথাও সংকীর্ণ অমন রাস্তা ধরে মৃত্যুভয় হাতের মুঠোয় নিয়ে হাঁটছি আমরা। ছোট ছোট দলে, আলাদা আলাদা। পাশাপাশি দু’জন নয়, একজনের পিছনে এক জন—সার বেধে সন্তর্পণে পায়ে পায়ে হেঁটে চলেছি। কোথায়? না, হিমালয়ে। মহাদেবের মন্দিরে। ‘পঞ্চ-ধামের’ প্রথম ধাম। হিমালয়ের বারো হাজার ফুট উঁচু বরফ ঢাকা পাহাড়ের সারির শীর্ষে। ‘কুণ্ডচটি’ চটি থেকে দূরত্ব —এক নাগাড়ে তিন দিন ধরে চড়াই-উতরাই ভেঙে হাঁটা এবং দু’ রাত বিশ্রাম। তখনকার দিনের হিসেবে একশো ছাব্বিশ মাইল।
এক জায়গায় চওড়া রাস্তার পাশে কয়েক খণ্ড বড় বড় পাথরে চাঁই পড়ে আছে। ওপর থেকে দেওয়ালের গা বেয়ে ঝর্ণার জলধারা নেমে আসছে। অতি সংকীর্ণ, দরিদ্র ধারায়। তার গায়ে দু’ পাশে পাথরে শ্যাওলা ধরে, টাটকা সবুজ রং। মন তাজা হয়ে যায়। পাথরের গায়ে হাতের অঞ্জলি পেতে সেই স্বচ্ছ জল কয়েক আজলা খেয়ে ভারী তৃপ্তি। একমাত্র সঙ্গী, কলেজের সহপাঠী, ভাগলপুরের সুভাষ দে-ও কাঁধের বস্তা রেখে আমার দেখাদেখি শীতল জল কয়েক চুমুক খেয়ে বললে, “আঃ! ....পরান ঠান্ডা হয়ে গেল ভাই!”
সকাল থেকে নাগাড়ে হেঁটে বেশ ক্লান্ত। একটু জিরিয়ে নিতে একটা বড় পাথরের উপর বসে পড়লুম দু’জনে। পিঠোপিঠি। সামনের দিকে আরেক দল বেরিয়ে এগিয়ে গেল জনা দশেক। বিড়ি ধরালুম। হ্যাঁ, তখন বিড়ি খেতুম। জিগ্যেস করতে পারেন, ‘সিগারেট নয় কেন?’
তা, কেনার পয়সা কই? তাও একটি বিড়ি জ্বালিয়ে দু’জনে ভাগ করে খেতুম। সুভাষ জ্বালালে আমাকে তার কাউন্টার দিত—অর্ধেক ধোয়া গেলার পর। এবং ভাইসিভার্সা। বিড়ির টান দিতে দিতে চারপাশের প্রকৃতির দর্শনসুখে ভাসছি। মনে পড়ল, কত দূর চলে এসেছি। কোথায় ঘর আর কোথায় ‘বাহির’। স্পোর্টসে জ্যাভলিনে র ঘায়ে ডান পায়ের বুড়ো আঙুল প্রায় অর্ধেক হয়ে ঝুলছিল। দশ বারোটা সেলাইয়ে জোড়া তো লাগল। তার পর ব্যথা-যন্ত্রণা ছাড়াও আরেক ভোগান্তি—‘বেড-রেস্ট’। তাই মাস দুয়েক শুয়ে থাকতে থাকতে মানসিক অস্থিরতা তুঙ্গে উঠেচিল। চিত্পাত দশায় আরেক ভ্রমণ-বিলাসী সহপাঠী, এই সুভাষের সঙ্গে নিত্য প্ল্যান করতুম—কোথায় যাওয়া যায়? নিজে হাঁটতে পারছি না, অথচ চারপাশের তাবত্ লোকজন কী রকম স্বচ্ছন্দে হেঁটে বেড়াচ্ছে দেখে। মনে মনে ঠিক করে ফেলে ছিলুম—এমন জায়গায় বেড়াতে যাব, সেখানে খু-উ-ব হাঁটতে হয়। ট্রাম নেই, বাস নেই, ট্রেন নেই—শুধু পা-গাড়ি।
এক একটি ছোট দল, চার পাঁচ জনের, পাশ কাটিয়ে এগিয়ে গেল। তাদের মধ্যে আবার এক জন বৃদ্ধ ‘কাণ্ডি’তে চলেছেন। এখানকার পাহাড়ি রাজ্য গাড়োয়ালে মুটে-মজুর বা কুলিরা সাধারণত মাথার ওপরে মোট বয় না। যে কোনও বোঝাই ওরা পেছনে, পিঠের ওপরে রাখে। গ্যাংটক, দার্জিলিং বা উটিতেও দেখেছি ওজন বইবার প্রক্রিয়া একই রকম। অনেকটা চা-বাগানে পাতা আহরণকারিণী মেয়েদের মতন।
তা যে মানুষটি তীর্থের পুণ্যি অর্জনের প্রত্যাশায় চলেছেন, তাকে ওই গাড়োয়ালি মুটের পৃষ্ঠলগ্ন ঝুলিতে দলা পাকানো দশায় দেখে আন্দাজ হয়—নিদেন অশীতিপর তো হবেনই। তার বেশি বই কম নয়। ভাঁজ করা অর্ধেক বাঁদর টুপিতে মাথাটি ঢাকা। স্রেফ ঝুলির ওপরে মুখটি দেখা যাচ্ছে। ঝুরি ঝুরি বলিরেখায় আচ্ছন্ন মুখটি পুরুষের কি নারীর বোঝার উপায় নেই। মুটের চলনের সঙ্গে তাল রেখে ঝাঁকুনির ফলে সেই ‘অবাস্তব’ মুখমণ্ডল সামান্য লাফাচ্ছে। দুলছে এ পাশ ও পাশে প্রায় তালে তালে। চোখজোড়া নিভন্ত। ঝিমুচ্ছে। এবং ঝিমুনির ফাঁকে ফাঁকে কুত্কুতে ঘোলাটে চোখ চেয়ে— কী দেখছে কে জানে—আবার নিভছে। দেখে হাসব না কাঁদব ঠাহর করতে পারছি না! সঙ্গী সুভাষের টিপ্পুনি সহসা, “উনি ঠাকুর দেখতে তির্থি করতে যাচ্ছেন—হায় রে পোড়াকপাল আমার!”
‘কাণ্ডি’ ছাড়া আর রয়েছে ‘দাণ্ডি’। অনেকটা সাবেক কালের পালকির মতো। পালকি চার কাহারের বা বেহারার চরণ দ্বারে চলে। ‘দাণ্ডি’ বয় দু’জন কাহারে বা মুটে। প্রথমটি দেখে যেমন অস্বস্তি বা পড়ে যাওয়ার আতঙ্ক হয়, সেই তুলনায় দ্বিতীয়টি অপেক্ষাকৃত সামান্য স্বাচ্ছন্দ্যময়। তবে এই সব দেখে ধন্ধ লাগে মনে। কেন মানুষটি বেশি পুণ্য অর্জন করছে? যে কাঁধে পিঠে বা পালকি জাতীয় দাণ্ডিতে বসে ঝিমুতে ঝিমুতে চলেছে তীর্থ দর্শনে? না, যে মানুষটি হাঁফাতে হাঁফাতে অন্য কোনও মানুষকে পুণ্যার্জনের সুযোগ দিচ্ছে—আপন ‘খোরাক’ জোগাবার প্রয়োজনে!
এক বার বসে পড়লে ক্লান্তি চেপে বসে। উঠে আবার হাঁটা শুরু করতে কেমন আলসেমি লাগে। ধুমপান শেষ হতে, উঠছি উঠব করছি, জনা পাঁচেকের দল উঠে এল নীচে থেকে। দুই বৃদ্ধা, এক জন বৃদ্ধ। তিন জনেরই লম্বা লম্বা লাঠি হাতে। ‘কাণ্ডি’-‘দাণ্ডি’ নয়। পায়ে হেঁটে। বাঁ হাত কোমরে রেখে, সামান্য ঝুঁকে। সঙ্গে মধ্য বয়সের নারী-পুরুষ দু’জনে, স্বামী-স্ত্রীই হবে। মনে হল একই পরিবারের। অথবা গ্রামতুতো সম্পর্ক। বিহার বা উত্তর প্রদেশেরই হবে, আন্দাজ করি। দু’তিনটে বড় বড় পাথরের চাঁই দেখে একটু জিরিয়ে নিতে চাইল মন।
বৃদ্ধ বললেন, “কমর-ঘুঁটনো সব জওয়াব দে’ রহি হ্যায়—উ পাথরোয়া পর জেরা টেঁক লেতেঁ হ্যাঁয়।” মাজা কোমর জবাব দিচ্ছে, পাথরে একটু বসে নিই।— ঘোষণা করতে করতেই বসে পড়লেন বৃদ্ধ। বৃদ্ধা দু’জন পাথরের দিকে যেতে নিয়ে আমাদের দু’জনকে বসে থাকতে দেখলেন। এক জন তো এগিয়ে এলেন কাছাকাছি। তাজা গোঁফ গজানো মুখের কাছে ঝুঁকে, ভ্রূ কুঁচকে চোখ ছোট করে এক মুহূর্ত দেখেই মন্তব্য করলেন, খানিকটা মনে মনেই যেন, “আহা রে! ইতনে ছোটি উমরমে হি তুম হে বুলা লিয়া —বাহ বাহ জিয়ে রহো বেটা—জয় হো—” বলে করজোড়ে অদৃশ্য ঠাকুরকে প্রণাম করলেন। ‘অ্যাতো কম বয়সেই উনি ডেকে নিয়েছেন’—শুনে সেই সদ্য যৌবনে প্রথমে হাসি একটু পেয়েছিল বইকি! কোথাও কি একটু গর্ববোধের ছোঁয়া ছিল না প্রচ্ছন্ন চেতনায়, কে জানে? আজ বয়স্ক জীবনে ভাবলে মনে হয় লুকোনো গর্বের ভাব ছিল বইকি? সাধারণত সংসারী মানুষ রিটায়ার করে, অবসর জীবনে ঈশ্বর উপাসনায় প্রচুর সময় পান। তার আগে ‘ভগবান’ স্মরণে আসেন অবরে-সবরে। ঠেকা-বাধা কার্যসিদ্ধির কারণে, ভয়ে বা ভক্তিতে। অথবা সংসার-বিবাগে। সেই কচি বয়সেই আমার মধ্যে সেই বৈরাগ্যের লক্ষণ দেখতে পাওয়া গেছেমানে ‘আমি তো কি হনু রে’ ভাবের লুকোনো গর্ব হয়তো ছিল। আসল, তাত্ক্ষণিক কারণ ছিল, হাঁটাহাঁটি করা। ঘোরাঘুরির বাতিক বা ভ্রমণ-বিলাসী। অগ্রজ বলতেন, “তুই কোথাও স্থির হয়ে থাকতে পারিস না। অস্থিরতা তাড়িয়ে বেড়ায়। পায়ের তলার তোর সরষে—।....
পাশের কুড়ি জনের একটি দল বেশির ভাগই পুরুষ—মধ্য বয়স্ক বা বার্ধক্য ছোঁয়া বয়সের মানুষেরা আমাদের পাশ কাটিয়ে এগিয়ে চলেছে। ঝাঁকড়া ঝাঁকড়া চুল দাড়ি। ঘাড়ে কম্বল বস্তা বা মোটা থলে, হাতে হাঁটার লাঠি।
সেই ভিড় পেরোতে পেরোতে আমাদের দিকে না তাকিয়েই আমাদের উদ্দেশ্যে সমস্বরে বলে উঠল, “জয় কেদার”। কুণ্ডচটি, যেখানে বাস-যাত্রা শেষ হয়েছে। সেখানেই অলকানন্দার পথে আর একটা রাস্তা উঠে গেছে বদ্রীনাথের দিকে। যাঁরা এই পথে অর্থাত্ মন্দাকিনীর পথ বেছেনিলেন, তাঁদের সকলের গন্তব্য তখন স্থির, এক—কেদারনাথ। ধাম। আমরা যেমন রাস্তায় দেখা হলে ‘নমস্কার’ বলি, ইংরেজরা বলেন ‘গুডমর্নিং’ বা ‘গুডইভনিং’। ঠিক তেমনই সকলেই মহাদেব বা কেদারনাথের ভক্ত হিসেবে এই পথে পরিচিত।
সেই কুণ্ডচটি থেকে শুনে শুনে জবাব দিতে দিতে এগিয়ে চলেছি আমরা—
“কেদারনাথ মহারাজ কি”—
“জয়”।
পাহাড়ে পাহাড়ে সেই জয়ধ্বনি ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিত হতে হতে, উপত্যকায়, পর্বতের দেওয়ালে, শীর্ষে—বুঝি বা সমগ্র দেবাদিদেব হিমালয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে। যত উঠছি, তত সেই ডাক ছোট, সংক্ষিপ্ত হচ্ছে। এখন এই যাত্রার দ্বিতীয় দিনে এসে দাঁড়িয়েছে ছোট্ট , জয় কেদার-এ।....
সে ছিল দিন। সেই সব দিনরাত্রি।
এখন শুধু রাত। মধ্য যামিনী অতিক্রান্ত হয়ে এখন এই মুম্বই শহরের মসৃণ সিমেন্ট বা পিচঢালা রাস্তায় নিঃশব্দে হাঁটছি। অথচ কোনও জয়ধ্বনি বা জয়গান নেই। আমরা চলেছি মহাদেব বা কেদারনাথের সন্তান গণেশবাবা জীবনের ঘুম ভাঙাতে। ভাঙিয়ে তার পুজো করতে। শুধু আমি বা আমরা ক’জন নই। বিভিন্ন পথ, রাস্তা এক। এক মত —অজস্র পথ। আমার পড়শিদের জিজ্ঞেস করলুম, “হাম সব জয়ধ্বনি কিউ নেহি দেঁতে! আওয়াজ দুঁ।” কেউ বললে চার পাশে সব ঘুমিয়ে আছে। তাদের জাগানো ঠিক হবে না। কেউ বললে, জয়-জয় বলুন। চাহিয়ে—”।
(শেষাংশ পরবর্তী সংখ্যায়)