শিলচরে শুরু পৌষমেলা

পৌষমেলায় মেতে উঠল শিলচর। নাচ-গান, সঙ্গে ঘরোয়া খাওয়া-দাওয়ার আসর। সন্ধ্যা নামতেই মাঝমাঠে হালকা আগুন। একে ঘিরে ছোট-বড় জটলা।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:৫১
Share:

পৌষমেলায় মেতে উঠল শিলচর। নাচ-গান, সঙ্গে ঘরোয়া খাওয়া-দাওয়ার আসর। সন্ধ্যা নামতেই মাঝমাঠে হালকা আগুন। একে ঘিরে ছোট-বড় জটলা।

Advertisement

সকালে এ উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের হয়। ঢাক-ঢোল সহ শহর পরিক্রমা করেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ। গাঁধীবাগ থেকে বের হয়ে সেন্ট্রাল রোড, অম্বিকাপট্টি, চার্চ রোড, শিলং পট্টি হয়ে ফিরে আসে গাঁধীবাগে। ছিলেন পুরসভার উপ-সভানেত্রী চামেলী পাল, মেলা সম্পাদিকা শিল্পী পাল, পুরসদস্য মধুমিতা শর্মা, ভাগ্যরানি পাল, রিনা পাল, অমৃত মণ্ডল, অভ্রজিৎ চক্রবর্তী, প্রাক্তন পুরসদস্য সাধন পুরকায়স্থ, বরাক উপত্যকা বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের জেলা সম্পাদক পরিতোষ দে। সাংস্কৃতিক সংস্থা মাদল ও শিবম-এর শিল্পীরা সারাপথ গান গেয়ে এগিয়ে চলে। বিকেল ৫টায় হয় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক মঞ্চেরও উদ্বোধন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কবীন্দ্র পুরকায়স্থ, জেলা ও দায়রা বিচারক কমলেন্দু চৌধুরী, মুখ্য ন্যায় দণ্ডাধীশ নিত্যানন্দ তালুকদার, বরাক উপত্যকা বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের জেলা সভাপতি তৈমুর রাজা চৌধুরী, বিভাসরঞ্জন চৌধুরী, সৌরীন্দ্রকুমার ভট্টাচার্য ও নিত্যভূষণ দে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, তিন দিন চলবে মেলা। বেলা ১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিকেল ৫টা থেকে। এই তিনদিন গাঁধীবাগে প্রবেশ অবাধ।

প্রথম দিনেই মেলা বেশ জমে উঠেছে। গোটা প্রাঙ্গণ একেবারে লোকে লোকারণ্য। গত বছরের চেয়ে এ বার দোকানের সংখ্যাও বেশি। পিঠে-পুলি, ঘুগনি সহ নানা স্বাদের খাদ্যদ্রব্যের ২৯টি দোকান বসেছে মেলাপ্রাঙ্গণে। শিল্পীদের সংখ্যাও বেশি। মূলত লোকগানেরই আসর বসে। সঙ্গে ধামাইল নাচ। মহিলাদের সঙ্গে নাচে অংশ নেন পুরুষরাও।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement