দ্বারভাঙা মেডিক্যাল কলেজের সিভিল সার্জেনকে ফোন করে ফের বিতর্কের মুখে লালুপ্রসাদ।
ইন্দিরা গাঁধী মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ তাঁর ‘সফরের’ রেশ কাটতে না কাটতেই ওই ঘটনায় নতুন অস্ত্র হাতে পেয়েছেন বিরোধীরা। হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্টকে পাঠানো চিঠিতে দ্বারভাঙা মেডিক্যাল কলেজের সিভিল সার্জেন শ্রীরাম সিংহ জানিয়েছেন— আরজেডি শীর্ষ নেতা তাঁকে মমতা স্বাস্থ্যকর্মীদের পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন। চিঠির প্রতিলিপি দ্বারভাঙার জেলাশাসক, দফতরের প্রধান সচিব, রাজ্য স্বাস্থ্য সমিতির কার্যকরী নির্দেশক ছাড়া লালুপ্রসাদকেও পাঠানো হয়েছে। সরকারি কোনও পদে না থাকা সত্ত্বেও কেন সরকারি চিঠির প্রতিলিপি লালুপ্রসাদকে দেওয়া হল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
ফোনের কথা অস্বীকার না করে লালুপ্রসাদ বলেন, ‘‘মমতা স্বাস্থ্যকর্মীরা আমার কাছে বার বার কাজে ফেরানোর জন্য অনুরোধ করছিলেন। সে জন্যই ফোন করেছিলাম।’’ বিরোধীদের আক্রমণে তিনি চিন্তিত নন বলেও মন্তব্য করেন লালু।
বিরোধীরা অবশ্য লালুর বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব। বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নন্দকিশোর যাদব বলেন, ‘‘কী হিসেবে চিকিৎসককে ফোন করেছিলেন লালুপ্রসাদ? ছেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেই কী তিনি বাড়িতে বসে ফোন করে গোটা দফতর চালাচ্ছেন! এটা সংবিধান বিরোধী। সরকারের উপরে নীতীশ কুমারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই, তা বোঝা যাচ্ছে। লালুপ্রসাদ সুপার সিএম-এর মতো আচরণ করছেন।’’
এ ঘটনায় কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে জেডিইউ। তবে দলীয় মুখপাত্র নীরজ কুমার বলেন, ‘‘ গোটা বিষয়টি বিস্তারিত ভাবে না জেনে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’’এর আগে তৎকালীন স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান সচিবের মৌখিক নির্দেশে মমতা স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ থেকে সরানো হয়েছিল। প্রসূতি মহিলাদের কাছ থেকে ওই স্বাস্থ্যকর্মীরা টাকা তুলতেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।