তব্বুর রূপের চাবিকাঠি লুকিয়ে কিসে? ছবি: সংগৃহীত।
বয়স কেবল সংখ্যামাত্র। বার বার প্রমাণ করেন বলিউডের অভিনেত্রী তব্বু। ৫৪ বছর বয়সেও সৌন্দর্যে ও ফিটনেসে দশ গোল দিয়ে দিতে পারেন তরুণ প্রজন্মের নায়িকাদের। তাঁর এই রূপের নেপথ্যে কি ১০ ধাপের ত্বকচর্চা, না কি নামীদামি ট্রিটমেন্ট? উত্তর দিলেন খোদ অভিনেত্রীই।
অভিনেত্রী তব্বু। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তব্বুকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখতে কোন টোটকার উপর সবচেয়ে বেশি ভরসা করেন। অনেকের ধারণা ছিল, হয়তো কোনও বিশেষ প্রসাধনী, দামি ট্রিটমেন্ট বা জটিল ত্বক পরিচর্যার কথা বলবেন তিনি। কিন্তু তাঁর উত্তর ছিল অত্যন্ত সহজ— ঘুম। তব্বুর কথায়, ভাল ঘুমের কোনও বিকল্প হয় না। তিনি নিজেই বুঝতে পারেন, কোনও দিন যদি ঠিক মতো ঘুম না হয়, তা হলে তার পরের দিনই ত্বকে স্পষ্ট প্রভাব দেখা যায়। তাই তব্বুর রূপ-রহস্যের নেপথ্যে রয়েছে মূলত ‘বিউটি স্লিপ’। আগে তিনি ত্বকের সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক বুঝতে পারতেন না। কিন্তু এখন স্পষ্ট টের পান নিজের চোখেমুখে।
‘বিউটি স্লিপ’ কী? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত
‘বিউটি স্লিপ’ কী?
'বিউটি'-র অর্থ সৌন্দর্য, 'স্লিপ'-এর অর্থ ঘুম। কথাটিকে নিছক প্রচলিত ধারণা বলে মনে করেন অনেক। কিন্তু চর্মরোগ চিকিৎসকদের মতে, এর পিছনে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। পর্যাপ্ত ঘুমের সময়ে শরীর এবং ত্বক নিজেদের মেরামতের কাজ করে। দূষণ, রোদ, মানসিক চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে পুনরুদ্ধার করার গুরুত্বপূর্ণ সময় হল রাতের ঘুম।
ঘুম কম হলে ত্বকে কেমন প্রভাব পড়ে?
নিয়মিত কম ঘুম হলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা বাড়তে পারে। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক মেরামতির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ত্বক নিস্তেজ দেখাতে পারে, চোখের নীচে কালচে দাগ পড়তে পারে, মুখ ফোলা লাগতে পারে এবং ত্বকের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য কমে যেতে পারে। ব্রণের সমস্যাও বাড়তে পারে তার সঙ্গে। কারণ, ঘুমের অভাব শরীরে প্রদাহজনিত সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে, যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।