সানস্ক্রিন মেখেই কি মুখের কালচে ভাব ঢাকা যায়? ছবি:সংগৃহীত।
রোদের তাপ মানেই মুখে কালচে ছোপ, তা সে যতই সানস্ক্রিন মাখা হোক না কেন। অথচ চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রতি দিন নিয়ম করে সানস্ক্রিন মাখা জরুরি। তা হলে প্রশ্ন আসতেই পারে, সানস্ক্রিন কি ঠিক ভাবে কাজ করে না? না কি সানস্ক্রিন মেখে কালচে ভাব আটকানো যায় না?
ত্বকের রোগের চিকিৎসক আকৃতি গুপ্ত বলছেন, ‘‘সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি থেকে পিগমেন্টশনের সমস্যা অনেক সময় বেড়ে যায়। সানস্ক্রিন রোদ থেকে ত্বককে সুরক্ষা দিলেও, পিগমেন্টশন কমিয়ে দিতে বা এড়াতে পারে না। এর সঙ্গে আর কয়েকটি বিষয় যুক্ত।’’ অনেকেরই ধারণা, সানস্ক্রিন মাখা মানেই কালচে দোগ-ছোপ এড়ানো সম্ভব। তবে শুধু সানস্ক্রিন মেখে তা সম্ভব নয়, বলছেন ত্বকের রোগের চিকিৎসক।
অতিবেগনি রশ্মি: সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকর। লম্বা সময় রোদে থাকলে মেলানিন উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে ত্বক কালো দেখায়। অনেক সময়েই ত্বকের রং বদলাতে শুরু করে। এই বদল যে মুখ বা শরীরের বিশেষ কোনও অংশ জুড়ে সমান ভাবে হয়, তা নয়। বরং বলা যায়, একটি বড় অংশের খানিকটা জায়গার রং বদলাতে থাকে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই সেই বদলে যাওয়া রঙের বিশেষ অংশটি আলাদা করে নজরে পড়ে। ছিটছিট দাগের মতো দেখা যায় ত্বকে। ত্বকের রং বদলে যাওয়ার পোশাকি নামই হল পিগমেন্টেশন। অতিবেগনি রশ্মি পিগমেন্টশন বাড়িয়ে দেয়, তবে শুধু রোদ নয়, এর নেপথ্যে আরও নানা কারণ থাকে।
সানট্যানের সঙ্গে কিন্তু পিগমেন্টেশনের পার্থক্য রয়েছে। অনেক ক্ষণ সূর্যের প্রখর রোদে থেকে গোটা শরীরে কালচে ভাব দেখা দিলে, তাকে সানবার্ন বা সানট্যান বলে। তবে পিগমেন্টেশন কিছুটা ভিন্ন। তবে শুধু রোদের জন্য নয়, হরমোনের তারতম্যের কারণেও এমনটা হতে পারে।