Skin Care at 40

ব্যস্ত জীবনে চল্লিশোর্ধ্ব মহিলারা কী ভাবে যত্ন নেবেন ত্বকের! রইল ৩টি সহজ উপায়

৪০ বছর বয়সের পর ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বা কোলাজেন কমতে শুরু করে। তাই এই সময়ে খুব বেশি দামি প্রসাধনী মাখার বদলে যেটা জরুরি তা হল, ত্বকের কোষকে ভিতর থেকে পুনরুজ্জীবিত করা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৭
Share:

তিন কাজে ত্বকের তারুণ্য ছবি : সংগৃহীত।

কাজের চাপে সারা দিনে নিজের জন্য আলাদা সময় মেলে না বললেই চলে। তার মধ্যে ত্বকের পরিচর্যা করতে হলে তো কথাই নেই। অনেক আগে থেকে পরিকল্পনা করে তবে পার্লারে যাওয়া বা ঘরে কোনও ফেস প্যাক লাগানোর সময় বার করা যায়। যে কোনও চল্লিশোর্ধ্ব মহিলারই অবস্থা এমন। নিত্য দিনের ক্রিম, ফেসওয়াশ, সানস্ক্রিনেই কাজ সারেন। অথচ চল্লিশের পরেই বেশি করে ত্বকের খেয়াল রাখা উচিত। ব্যস্ত দশভূজারা তবে ত্বকের যত্ন নেবেন কী ভাবে?

Advertisement

৪০ বছর বয়সের পর ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বা কোলাজেন কমতে শুরু করে। তাই এই সময়ে খুব বেশি দামি প্রসাধনী মাখার বদলে যেটা জরুরি তা হল, ত্বকের কোষকে ভিতর থেকে পুনরুজ্জীবিত করা। ব্যস্ত জীবনে সেটুকু করার জন্য তিনটি বিষয় রোজের রুটিনে রাখতে পারেন।

১. ‘স্কিন সাইক্লিং’ পদ্ধতি

Advertisement

একগাদা ক্রিম রোজ না মেখে একটি ৪ দিনের রুটিন অনুসরণ করুন। এতে ত্বক ক্লান্ত হবে না এবং প্রতিটি উপাদান ঠিকঠাক কাজ করার সময় পাবে।

১ম রাত: মুখ ধুয়ে হালকা কোনও ফেসিয়াল স্ক্রাব বা কেমিক্যাল এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করুন মৃত কোষ সরানোর জন্য।

২য় রাত: বলিরেখা দূর করতে রেটিনল বা ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ ক্রিম লাগান।

৩য় ও ৪র্থ রাত : এই দুই দিন কোনও কড়া কেমিক্যাল নয়, শুধু ভালো মানের ময়েশ্চারাইজ়ার বা সিরাম দিয়ে ত্বককে বিশ্রাম দিন।

২. মুখের যোগাসন ও লিম্ফ্যাটিক ড্রেনেজ

৪০-এর পর ত্বক ঝুলে পড়তে শুরু করে। রোধ করতে চাইলে দামি ফেসিয়াল ব্যবহার না করে বরং মুখের যোগাসন করুন। এটি অনেক বেশি কার্যকর। রাতে ঘুমোনোর আগে ময়েশ্চারাইজ়ার লাগানোর সময় হাতের আঙুল বা একটি গুয়াশা পাথর দিয়ে চোয়ালের হাড় থেকে কানের দিকে এবং ভ্রু থেকে চুলের গোড়া পর্যন্ত হালকা চাপ দিয়ে মাসাজ করুন। এটি ত্বকের নিচের লিম্ফ্যাটিক ফ্লুইড বের করে দেয়। ফলে, সকালে ঘুম থেকে উঠলে মুখ ফোলা লাগে না এবং ত্বক সতেজ দেখায়।

৩. ‘সানস্ক্রিন স্যান্ডউইচ’ ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ডায়েট

বাইরে থেকে যা মাখছেন, তার চেয়ে বেশি জরুরি আপনি শরীরের ভিতরে কী দিচ্ছেন। কারণ ত্বককে ভাল রাখতে সেটিই কাজ করবে বেশি।

স্যান্ডউইচ : সকালে ময়েশ্চারাইজ়ারের উপর সানস্ক্রিন মাখা বাধ্যতামূলক, সে আপনি ঘরে থাকুন বা বাইরে। এটি সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি থেকে কোলাজেনকে রক্ষা করে।

খাওয়াদাওয়া : প্রতিদিন অন্তত একটি টক জাতীয় ফল (ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ) এবং এক মুঠো ভেজানো বাদাম খান। এটি আপনার ত্বকের ‘ইলাস্টিসিটি’ বা টানটান ভাব ধরে রাখতে প্রসাধনীর চেয়েও দ্রুত কাজ করবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement