মশলা দিয়ে কী ভাবে ফেসপ্যাক বানাবেন? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
ত্বক ভাল রাখতে নানা রকম বাজারচলতি প্রসাধনী সকলেই কম-বেশি ব্যবহার করেন। জানেন কি, ত্বক ভাল রাখতে মুখে মাখার এই ধরনের অনেক প্রসাধনীতে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে, যা ত্বকের জন্য ভাল নয়. এই ধরনের রাসায়নিক যুক্ত প্রসাধনী দীর্ঘ দিন ব্যবহার করলে, তা থেে চর্মরোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বদলে প্রাকৃতিক উপকরণে ত্বকের যত্ন নিলে, জেল্লা ফেরার পাশাপাশি ক্ষতির আশঙ্কা থাকে না। হেঁশেলের কিছু পরিচিত মশলা দিয়েই ত্বকের পরিচর্যা করতে পারেন।
লবঙ্গ-অ্যালো ভেরার ফেসপ্যাক
লবঙ্গ গুঁড়ো এক চিমটে, সঙ্গে এক চামচ অ্যালো ভেরা জেল নিতে হবে। খুব ভাল করে মিশিয়ে মখে মেখে মিনিট দশেক রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। লবঙ্গের অ্যান্টিসেপ্টিক ও প্রদাহনাশক গুণ ত্বকের জন্য ভাল। এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকিও থাকবে না।
হলুদ-বেসনের প্যাক
আধ চা-চামচ ভাল হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে এক টেবিলচামচ বেসন, এক চা চামচ দই আর কয়েক ফোঁটা মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। হালকা হাতে বা ব্রাশ দিয়ে সমান ভাবে মুখে গলায়-হাতে মেখে নিতে পারেন। ১৫ মিনিটের বেশি রাখবেন না। ১৫ মিনিট পরে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। হলুদ ত্বকে লাগালে, ত্বকের রং উজ্জ্বল হয়, ব্রণ কমে, দাগছোপ দূর হয়।
জায়ফল-মধুর ফেসপ্যাক
সামান্য মধু বা দুধের মধ্যে জায়ফলের গুঁড়ো মিশিয়ে মুখে মাখা যেতে পারে। মিনিট দশেক রেখে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেললেই হবে। জায়ফলের অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান ত্বকের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। শুষ্ক ত্বক পেলব করতেও জায়ফল মাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে এই মশলা।
ত্বকের ইনফেকশন, র্যাশ বা চুলকানি কমাতে এই প্যাকটি দারুণ আরামদায়ক।